Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে সন্ত্রাস প্রসঙ্গে হাসিনাকেই দুষলেন তসলিমা

ঢাকার গুলশন এলাকায় বড়সড় হামলার পর সন্ত্রাস প্রসঙ্গে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন সে দেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৬, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৬, ১৬:১৩

options
link
বাংলাদেশে সন্ত্রাস প্রসঙ্গে হাসিনাকেই দুষলেন তসলিমা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খুন হয়েছেন একের পর মুক্তমনা ব্লগার৷ বাধা দেওয়া হয়েছে স্বাধীন মত প্রকাশে৷ হিন্দুদের উপর বারেবারে নেমেছে মৌলবাদীদের আক্রমণ৷ কিন্তু সেই অর্থে কোনও কড়া প্রতিকারের ব্যবস্থা নেয়নি বাংলাদেশ প্রশাসন৷ ফলত পরোক্ষে ইন্ধনই পেয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা৷ ঢাকার গুলশন এলাকায় বড়সড় হামলার পর সন্ত্রাস প্রসঙ্গে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন সে দেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন৷

অভিজিৎ রায় থেকে ওয়াশিকুর রহমানদের গলায় যখন মৌলবাদীর চপার নেমে এসেছিল, তখন কড়া হাতে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেনি শেখ হাসিনা সরকার৷ অনেকদিন ধরেই এ অভিযোগ উঠছিল সে দেশের বিভিন্নমহলে৷ এবার কার্যত সেই সুরেই সুর মেলালেন তসলিমা৷ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ক্রমশ মাত্রা ছাড়াচ্ছিল৷ এক প্রৌঢ় আশ্রম কর্মী খুন হওয়ার পর সে দেশের এক সংগঠনের দাবি ছিল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী যেন হিন্দুদের উপর আক্রমণ প্রতিরোধে এগিয়ে আসেন৷ এ ব্যাপারে ভারতের তরফে কোনও সিদ্ধান্ত জানানোর আগেই জঙ্গিরা বড়সড় আঘাত হানল বাংলাদেশে৷ হামলার দায় আইসিস স্বীকার করলেও বাংলাদেশের দাবি, এ কাজ নিষিদ্ধ সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিনের৷ জঙ্গিরাও সকলেই বাংলাদেশি এবং এসেছে উচ্চশিক্ষিত, অর্থবান পরিবার থেকে৷ অর্থাৎ প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় বাংলাদেশ যে জঙ্গিদের বড়সড় আখড়া হয়ে উঠেছে তা এ ঘটনাতেই স্পষ্ট৷ আর এই প্রেক্ষিতেই মখ খুললেন তসলিমা৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঢাকায় নিহতদের প্রতি যখন শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, তখন টুইটে তাঁকে রীতিমতো তুলোধনা করলেন তসলিমা৷ জানালেন, ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে ইসলাম মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করা হচ্ছে৷ কিন্তু সরকার তা দেখেও দেখছে না৷ এরপরই হাসিনাকে একহাত নিয়ে তিনি লেখেন, এখন শোকপালন করে কী হবে! তাঁর প্রশ্ন, কেন ব্লগার হত্যার সময় নীরব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী? স্বাধীন মত প্রকাশের পরিসরই যে নেই বাংলাদেশে, সে ব্যাপারে আরও একবার সরব হলেন তিনি৷ইসলাম মানবতার ধর্ম বলে সওয়াল করেছিলেন হাসিনা৷ তসলিমার অভিমত, এবার অন্তত এ কথা বলা বন্ধ হোক৷

বাংলাদেশের জঙ্গি হানা নিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলি সমবেদনা জানিয়েছে৷ কিন্তু সে পালা চুকিয়ে এবার সমস্যার গভীরে প্রবেশ করতে চাইছেন দেশবাসী৷ বিশেষত, দেশেরই কয়েকজন তরুণ যে আদর্শের বশে জঙ্গি হয়ে উঠতে পারে, এ ঘটনা বিস্মিত করেছে বাংলাদেশের অধিবাসীদের৷ ইসলাম ধর্মের দোহাই দিয়ে যেভাবে হামলা চলল তাতে শিহরিত দেশের প্রকৃত ইসলাম ধর্মাবলম্বীরাই৷ এরপর আরও কোনও বড় নাশকতার ছক যে জঙ্গিদের নেই, সে বিষয়েও নিশ্চিত নন কেউই৷ আর তাই শোকের পর্ব মিটিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে ভাবতে চাইছেন সকলেই৷ তসলিমার মন্তব্য সেই বিষয়েই আলো ফেলল বলা চলে৷

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.