সংবাদ প্রতিদিন ডিডিটাল ডেস্ক: এবার অস্ট্রেলিয়ায় বন্দুকবাজের হামলা (Australia Mass Shooting)। সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ইহুদিদের একটি উৎসব চলছিল, সেই ভিড়ের মধ্যেই এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুই বন্দুকবাজ। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অন্তত ৫০টি গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এর জেরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত একজন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পরিকল্পনা করেই ইহুদি উৎসবে হামলা চালানো হয়েছে।
He is Naveed Akram from Pakistan.
He migrated to Australia in the name of employment and became a taxi driver. But he didn’t forget his ideology.AdvertisementHe is one of the terrorists who killed and injured dozens of Non-Muslims at Bondi Beach, Sydney. pic.twitter.com/9qwJRbAnPp
— Baba Banaras™ (@RealBababanaras) December 14, 2025
পুলিশ জানিয়েছে, বন্ডি বিচে শিশু পার্কের কাছে আয়োজন করা হয়েছিল ইহুদিদের ‘হানুককাহ’ উৎসব। সেখানেই হামলা চালায় বন্দুকবাজ। তদন্তকারীরা বলছেন, মাস খানেক ধরে পরিকল্পনা করে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। গুলির শব্দ পাওয়া মাত্র পুলিশ পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। পালটা গুলি চালানোয় মৃত্যু হয়েছে এক বন্দুকবাজের। আরেক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
I don’t condone talking the law into your own hands, but this citizen is an absolute hero grabbing one of the alleged attackers on Bondi Beach in Sydney this evening! pic.twitter.com/Nt3LE3BptE
— Chris (@thecjsw) December 14, 2025
সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ছবি ও ভিডিও। যেখানে দেখা গিয়েছে, এক বন্দুকবাজ পথচারীরর দিকে বন্দুক তাক করেছেন। তিনি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করছেন। দ্বিতীয় বন্দুকধারী একটি সেতুর উপর দাঁড়িয়ে গুলি চালাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। বন্দুকবাজদের কোমরে গোলাবারুদের বেল্ট ছিল।
— Anthony Albanese (@AlboMP) December 14, 2025
বন্ডি বিচে বন্দুকবাজের হামলায় ১১ জনের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজ। এই হামলার ঘটনাকে তিনি ‘হতবাক করা এবং বেদনাদায়ক” বলেছেন। নিহতদের পরিবার এবং আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন আলবেনিজ। পুলিশ ও প্রশাসনের অন্য কর্তাদের যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন কেন ইহুদিদের উৎসবকে টার্গেট করা হল? এর সঙ্গে ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন যুদ্ধের সম্পর্ক আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।