সুকুমার সরকার, ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলার শেষে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হল দুই রাজাকারকে। যাবজ্জীবন জেলের সাজায় দণ্ডিত হয় আরও তিন দোষী সাব্যস্ত।
[আসন্ন নির্বাচন, বাংলাদেশে জোরাল হিন্দুদের সুরক্ষার দাবি]
মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনীর হয়ে নারকীয় হত্যালীলা চালায় দোষীরা। শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ ক্ষমতায় আসার পরই গ্রেপ্তার করা হয় বেশ কয়েকজন রাজাকারকে। শুরু হয় যুদ্ধপরাধের একাধিক মামলা মামলা। বুধবার, এমনই এক মামলায় রায় দান করে ঢাকার ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল’। বিচারপতি মহম্মদ শাহিনুর ইসলামের তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ। মৃত্যদণ্ড প্রাপ্ত রাজাকারদের নাম হচ্ছে মহম্মদ নেসার আলি ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরি। আমৃ্ত্যু কারাদণ্ড পেয়েছে শামসুল হোসেন তরফদার, ইউনুস আহমেদ ও মোবারক মিঞা। তবে ইউনুস আহমেদ ও ওজায়ের আহমেদ চৌধুরি ছাড়া বাকিরা পলাতক।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মৌলভীবাজারের রাজনগরের বিভিন্ন গ্রামে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও গণহত্যার মত নৃশংস অপরাধের পাঁচটি ঘটনায় জড়িত ছিল দোষীরা। ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ২০১৬ সালের ২৬ মে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয় চার্জশিট। ওই বছরই শুরু হয় শুনানি। তারপর ২০১৬ সালের ১৩ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিন বিকালেই ওজায়ের আহমেদ চৌধুরি (৬০) ও ইউনুস আহমেদকে (৭০) বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকি তিনজন রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিভিন্ন যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত ছিল। অভিযোগ, খালেদা জিয়ার বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় রাজাকারদের আড়াল করার চেষ্টা করে।
[খাগড়াগড় কাণ্ডের অন্যতম হোতা তালহা শেখ বাংলাদেশে গ্রেপ্তার]