Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Balochistan

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ বার ভয়ংকর বিস্ফোরণ! বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে পাকিস্তানের বালোচিস্তান

কোনও সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০২৫, ২১:০০

options
link
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ বার ভয়ংকর বিস্ফোরণ! বিদ্রোহের আগুনে পুড়ছে পাকিস্তানের বালোচিস্তান zoom
বিস্ফোরণের পর কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে বালচিস্তান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত পাকিস্তান। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ বার ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশ। কোনও সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার না করলেও অনুমান করা হচ্ছে হামলার নেপথ্যে রয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। দফায় দফায় বিস্ফোরণ ঘটে রাজধানী কোয়েটা ও ডেরা মুরাদ জমালি অঞ্চলে।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, শনিবার কোয়েটায় একটি পুলিশ চেকপয়েন্টে গ্রেনেড হামলা চলে। এর কিছুক্ষণ পরই কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট (সিটিডি)-এর গাড়িতে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। সন্ধ্যে নাগাদ আরও ৩টি বিস্ফোরণ হয় ওই অঞ্চলে। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক আসিফ খান বলেন, কোয়েটার উপকণ্ঠে লোহার কারেজের কাছে রেললাইনে একটি শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই রেললাইন কোয়েটাকে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে যুক্ত করে। বিস্ফোরণের জেরে রেললাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই পুলিশকর্তার দাবি অনুযায়ী, হামলাকারীরা রেললাইনে আইইডি পুঁতে রেখেছিল ট্রেন আসার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া ডেরা মুরাদ জমালিতে টহলরত একটি পুলিশ ভ্যানে গ্রেনেড ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। কোয়েটার সারিয়াব রোডে একটি নির্মাণ সংস্থাতেও গ্রেনেড হামলা চলে। এই হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দুজন নিরাপত্তারক্ষী। রবিবার সকালেও কোয়েটার একটি থানা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়েছে। সবমিলিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ৭ বার নানা জায়গায় হামলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা।

এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন এই হামলার দায় না নিলেও নিরাপত্তাবাহিনীর অনুমান, হামলার নেপথ্যে রয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। উল্লেখ্য, পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে চেয়ে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে বালোচিস্তানের জনগণ। পাক সেনার অকথ্য নির্যাতনের প্রতিবাদে সেখানে তৈরি হয়েছে সশস্ত্র সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি। এই বাহিনীকে দমন করতে গোটা বালোচিস্তানে অত্যাচারের সীমা পার করেছে পাকসেনা। পালটা আসছে প্রত্যাঘাত। বর্তমানে আফগানিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত পাকিস্তান। পাশাপাশি শাহবাজ সরকারের ঘুম ছুটিয়েছে আর এক বিদ্রোহী সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান। গুরুতর এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বালোচ সংগঠনও হামলার ঝাঁজ বাড়াল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.