Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
পাকিস্তান

ফের সেনা অভ্যুত্থানের ছক পাকিস্তানে? বরখাস্ত পাক ফৌজের ৩ জেনারেল

তবে কি দিন ফুরিয়ে এল ইমরান খান সরকারের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২০, ১৪:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২০, ১৪:০৯

options
link
ফের সেনা অভ্যুত্থানের ছক পাকিস্তানে? বরখাস্ত পাক ফৌজের ৩ জেনারেল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর বেশ কয়েকটি সেনা অভ্যুত্থান দেখেছে পাকিস্তান (Pakistan)। সে দেশে বারবার জনতার নির্বাচিত সরকারকে উপড়ে ফেলেছেন সেনাশাসকরা। এবারও কি তেমনটাই ঘটতে চলেছে? তবে কি দিন ফুরিয়ে এল ইমরান খান সরকারের? সদ্য পাক ফৌজের তিন জেনারেল ও ৬০ অফিসারকে বরখাস্ত করার পর উঠছে এমন প্রশ্নই।

[আরও পড়ুন: বাড়ছে যুদ্ধের সম্ভাবনা, এবার পাকিস্তানে ঘাঁটি গেড়েছে চিনা বায়ুসেনা]

সূত্রের খবর, একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মেসেজ চালাচালি করার অভিযোগে ওই সেনা আধিকারিকদের বরখাস্ত করা হয়। যদিও সেনা অভ্যুত্থানের কোনও আশঙ্কা নিয়ে এমনটা করা হয়েছে বলে কোনও নিশ্চিত খবর নেই, পাকিস্তানের অতীতের দিকে তাকিয়ে বিশ্লেষকরা অন্তত তেমনটাই আশঙ্কা করছেন। বলে রাখা ভাল, পাকিস্তানে সামরিক বাহিনীর স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু তার পরেও সেনার ওই পদস্থ অফিসাররা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রচুর মেসেজ আদানপ্রদান করেছেন বলে অভিযোগ। এর পরেই লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল্লা ডোগার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইজাজ চৌধুরি এবং জেনারেল বিলাল আকবর-সহ বিভিন্ন ইউনিট থেকে মোট ৬০ জন সেনা অফিসারকে বরখাস্ত করে পাক সেনা। তার পর থেকেই নানা মহলে জোর জল্পনা যে, স্মার্ট ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার প্রাথমিক কারণ হলেও মূল কারণ সেনা বিদ্রোহের পরিকল্পনা হতে পারে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাক সেনাপ্রধান কমার জাভেদ বাজওয়ার চাকরির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে পাক সেনাবাহিনীতে। সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে আলোচনার পর নিজের চকরিজীবনের মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়িয়ে নিয়েছেন বাজওয়া। ফলে সেটাও বিক্ষোভের একটা বড় কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ইমরান সরকারের অন্তত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন প্রাক্তন বা কর্মরত সেনা আধিকারিকরা। এর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হল, পাক সরকারি বিমান সংস্থা, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগ। এই তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণই ক্ষেত্রেই শীর্ষ পদে রয়েছেন সেনা আধিকারিকরা। এবং বিগত তিন মাসে অর্থাৎ করোনা মহামারীর আবহেই এই তিনটি পদ পূরণ করা হয়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে পাকিস্তানে করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথ। ফলে সরকারের নেপথ্যে আসলে পাকিস্তানে করোনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেনা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

[আরও পড়ুন: জ্বলছে বালোচিস্তান, মারমুখী জনতার ভয়ে পলায়ন পাক সেনার]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.