Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
American Intelligence Report

আমেরিকায় নিষিদ্ধ ওষুধ যায় চিন ও ভারত থেকে! মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে বিতর্ক

একাধিক দেশের পণ্যের উপর শুল্ক চাপানোর কারণ নিষিদ্ধ ওষুধের চোরাচালান রোখা, বলছে মার্কিন প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৫, ১০:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৫, ১০:২১

options
link
আমেরিকায় নিষিদ্ধ ওষুধ যায় চিন ও ভারত থেকে! মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ‘বন্ধু’ বা ‘শত্রু’ রেয়াত করছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এব তাঁর প্রশাসন। এবার মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি, আমেরিকায় নিষিদ্ধ ওষুধ ‘ফেন্টানাইল’ এবং তা তৈরির সরঞ্জাম সবচেয়ে বেশি পাচার হয় চিন থেকে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম ভারতকে নিষিদ্ধ ওষুধ চোরাচালানে অভিযুক্ত করল ট্রাম্প প্রশাসন। যা ভারত-মার্কিন সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান তুলসী গাবার্ডের দপ্তর এই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যা আমেরিকার ‘বার্ষিক ঝুঁকি পর্যালোচনা রিপোর্ট’। তাতে চিন ও ভারতকে একযোগী দোষী করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আমেরিকার সাম্প্রতিক শুল্ক নিয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপের অন্যতম কারণ এই ‘ফেন্টানাইল’। যেটি আসলে ব্যথা উপশমের ওষুধ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ফেন্টানাইল মরফিনের থেকেও বহু গুণ শক্তিশালী। কানাডা, মেক্সিকো এবং চিনের সঙ্গে আমেরিকার সাম্প্রতিক শুল্কযুদ্ধ শুরু হওয়ার নেপথ্যে অন্যতম কারণ এই ‘ফেন্টানাইল’। তালিকায় রয়েছে ভারত।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, কানাডা, মেক্সিকো এবং চিনা পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর অন্যতম কারণ ফেন্টানাইলের চোরাচালান রোখা। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চিনের তৈরি বহু অবৈধ ওষুধ মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে আমেরিকায় প্রবেশ করলেও বেজিং কোনও পদক্ষেপ করছে না। যতদিন এই পরিস্থিতি চলবে, ততদিন চিনা পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হবে। ‘ফেন্টানাইল’ পাচারে অপর অভিযুক্ত কানাডা অবশ্য মার্কিন প্রশাসনের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে চিনও। তাদের দাবি, কর চাপানোর অযৌক্তিক অজুহাত’ দিচ্ছে আমেরিকা। এবার সাম্প্রতিক মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে জুড়ে দেওয়া হল ভারতের নামও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.