Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ডোকলাম ভুটানেরই, দখলদার চিনকে কড়া বার্তা থিম্পুর

ফের মুখ পুড়ল ড্রাগনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৭, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৭, ১২:৩৪

options
link
ডোকলাম ভুটানেরই, দখলদার চিনকে কড়া বার্তা থিম্পুর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ডোকলামে ভারতের অনড় অবস্থান দেখে প্রবল চাপে চিন। যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়ে কাজ হবে না বুজতে পেরে ‘প্রপাগান্ডা ওয়ার’ শুরু করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার। আর তা করতে গিয়েই ফের মুখ পুড়ল ড্রাগনের।বৃহস্পতিবার, এক বিবৃতিতে ভুটান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে ডোকলাম নিয়ে চিনের দাবি সম্পূর্ণ ভুল। ওই এলাকা তাদের। বেজিং যেন অপপ্রচার থেকে বিরত থাকে। উল্লেখ্য, সদ্য চিনা বিদেশমন্ত্রক জানায় যে ডোকলাম ভুটানের ভূখন্ডের অংশ নয়। তারপরই কড়া প্রতিক্রিয়া আসে থিম্পুর তরফ থেকে।

[চিনা হামলা ঠেকাতে উত্তর-পূর্বে নেই ‘আকাশ’ মিসাইল, ক্যাগের রিপোর্টে শোরগোল]

সিকিম সেক্টরে ডোকলাম নিয়ে জারি রয়েছে অচলাবস্থা। এক মাসের ও বেশি সময় ধরে সীমান্তে দু’দিকে বন্দুক উঁচিয়ে দাড়িয়ে ভারত ও চিনের কয়েহাজার সেনা। চিনা আগ্রাসনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভুটানও। এমনই পরিস্থিতিতে বুধবার চিনা বিদেশমন্ত্রকের এক শীর্ষ কূটনীতিবিদ ওয়াং ওয়েনলি জানিয়েছিলেন ডোকলাম নিয়ে বেজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে থিম্পুর। আলোচনা চলাকালীন নাকি থিম্পু জানিয়েছে, ডোকলাম ভুটানের অংশ নয়। তারপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেয় ভুটান। চিনের দাবি সর্বৈব মিথ্যা বলে সাফ জানিয়ে দেয় ওই দেশটি। জুন মাসে এক বিবৃতিতে চিনের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের অভিযোগ জানিয়েছে ভুটান। ডোকলামে রাস্তা বানিয়ে দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানছে চিন বলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল থিম্পু।প্রসঙ্গত, সীমা বিন্যাস নিয়ে ভুটান ও চিনের মধ্যে ২৪ দফা আলোচনা হয়ে গিয়েছে। দিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে হয়েছে ১৯ দফা আলোচনা। যদিও সুরাহা হয়নি বিবাদের।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ডোকলাম খুব গুরুতর ইস্যু নয়, দলাই লামার মন্তব্যে ধোঁয়াশা]

সম্প্রতি এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জওয়ানদের উপর হামলা চালিয়ে ডোকলাম থেকে তাঁদের হঠাতে চায় লালফৌজ। কারণ, আলোচনার মধ্যে দিয়ে বা মৌখিক চাপে ওই বিতর্কিত এলাকা থেকে সেনা সরাবে না ভারত, বিলক্ষণ বুঝেছে চিন। কমিউনিস্ট দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক খবরকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছিল, ‘আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডোকলাম থেকে ভারতীয় সেনাকে বহিষ্কার করা হবে।’ তবে বড়মাপের কোনও যুদ্ধ নয়, ছোট ছোট যুদ্ধে জওয়ানদের জড়িয়ে ফেলে তাঁদের বিতারিত করতে চায় চিনা সেনা। তবে অনেকেই মনে করছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে না চিন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.