সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের পর তালিবানশাসিত আফগানিস্তানেও জেহাদি নিশানায় চিনা নাগরিকরা। আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুলের চিনা গেস্ট হাউস। শোনা গিয়েছে গুলির শব্দও। মনে করা হচ্ছে. আইসিস (ISIS) জেহাদি গোষ্ঠী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, তিন হামলাকারীর মৃত্যু হয়েছে।
সূত্রের খবর, আফগানিস্তানে তালিবানরা ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে সে দেশে চিনা ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বেড়েছে। সরকারকে স্বীকৃতি না দিলেও সেখানে চিচেন দূতাবাস সেখানে খোলা আছে। এবার সেই আফগানিস্তানেই নিশানা করা হল চিনা নাগরিকদের।
[আরও পড়ুন: গালওয়ানের পর অরুণাচলের তাওয়াং, ফের সংঘর্ষে জড়াল ভারতীয় ও চিনা সেনা, জখম বহু]
কাবুলের লংগান হোটেনে চিনা ব্যবসায়ীদের বিড় লেগেই থাকে। এদিন দুপুরে আচমকা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে সাদা রঙের আটতলা হোটেলটি। জানলা থেকে গলগল করে কালো ধোঁয়া বের হতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলির শব্দও শুনতে পায় বলে দাবি। বিদেশি নাগরিকদের আনাগোনা বেশি বলে হোটেলটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুব কড়া। তারপরেও সশস্ত্র হামলাকারীরা কীভাবে হোটেলে ঢুকে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। পরে অবশ্য নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ৩ হামলাকারীর মৃত্যু হয়।
Meer beelden van verderop in de straat. Aanval is nog steeds aan de gang en #Taliban is nog niet naar binnen gegaan. Waarschijnlijk het werk van #ISKP. pic.twitter.com/NENSRR69cu
— Roy Grinwis (@RoyGrinwis) December 12, 2022
প্রসঙ্গত, করাচি বিশ্ববিদ্যালয় (Karachi University blast) চত্বরে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলা কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের প্রধান ও আরও দুই শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটেছিল। তারপর থেকেই পাকিস্তান ছাড়ছিল চিনারা। এবার তালিবান জমানায় ফের চিনা নাগরিকদেরই নিশানা করা হল। যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
[আরও পড়ুন: ১২ ডিসেম্বর পার, ফাঁকা বুলিই সার! এবার শুভেন্দুর মুখে ‘জানুয়ারি তত্ত্ব’]