Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
China

হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী নির্বাচিত চিনপন্থী জন লি, স্বশাসিত প্রদেশে আরও মজবুত বেজিংয়ের রাশ

বর্তমান নেত্রী ক্যারি লামের স্থালাভিষিক্ত হবেন লি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২২, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২২, ১৪:০২

options
link
হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী নির্বাচিত চিনপন্থী জন লি, স্বশাসিত প্রদেশে আরও মজবুত বেজিংয়ের রাশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হংকংয়ের (Hong Kong) পরবর্তী প্রধান নির্বাহী নির্বাচিত হয়েছেন চিনপন্থী জন লি। তিনি এর আগে নগরীর প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামী ১ জুলাই বর্তমান নেত্রী ক্যারি লামের স্থালাভিষিক্ত হবেন লি।

[আরও পড়ুন: চিনা আগ্রাসন! হংকংয়ে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরানো হল ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেনের ভাস্কর্য]

বলে রাখা ভাল, জনগণের ভোটে নয় বরং প্রায় দেড় হাজার সদস্যের একটি ক্লোজ কমিটি নগরীর প্রধান নির্বাহী নির্বাচন করে। এবারের নির্বাচনে লি ছিলেন একমাত্র প্রার্থী। প্রধান নির্বাহী নির্বাচনের জন্য রবিবার সকালে ভোটের আয়োজন করা হয় এবং লি ১ হাজার ৪১৬টি ভোট পান। মাত্র আট জন তাঁর বিপক্ষে ভোট দেন। যেখানে ভোট হয়েছে সেখানে আগে থেকেই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ভোটের আগে ছোট একটি দল প্রতিবাদ জানাতে ঘটনাস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটকে দেয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিক্ষোভকারীদের একজন চান পো-ইয়ং বলেন, ‘‘আমরা বিশ্বাস করি আমরা হংকংয়ের অনেক মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছি, যাঁরা এইভাবে চিনা স্টাইলে একজন মাত্র প্রার্থী নিয়ে নির্বাচন করার বিরুদ্ধে।” চিনের কট্টর সমর্থক লি যখন নিরাপত্তা সেক্রেটারি ছিলেন তখন চিনের আরোপ করা জাতীয় নিরাপত্তা আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে চরম বলপ্রয়োগ করেছেন। তিনি হংকংকে ফের একটি আন্তর্জাতিক নগরীতে পরিণত করার এবং প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীর জন্য আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের জুন মাসে আন্তর্জাতিক মঞ্চের প্রতিবাদ হেলায় উড়িয়ে হংকং নিয়ে বিতর্কিত জাতীয় নিরাপত্তা বিল পাশ করে চিন। বিতর্ক উপেক্ষা করেই ‘National security legislation for Hong Kong’ শীর্ষক বিলটিতে সই করেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এর ফলে স্বায়ত্বশাসিত প্রদেশটির উপর বেজিংয়ের রাশ আরও শক্তিশালী হয়েছে। তারপরই চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে হংকংয়ের (Hong Kong) ৩০ লক্ষ বাসিন্দাকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করে ব্রিটেন। পালটা, চরম নির্যাতন শুরু করে শি জিনপিংয়ের প্রশাসন।

নিজের স্বরূপ প্রকাশ করে তিয়েনআনমেন হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় ২০২১ সালে দোষী সাব্যস্ত করা হয় হংকংয়ের ধনকুবের জিমি লাইকে। একইসঙ্গে দোষী সাব্যস্ত করা হয় গণতন্ত্রকামী প্রাক্তন সাংবাদিক গাইনেথ হো এবং প্রাক্তন মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী চাউ হাং তুংকে। বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মিডিয়া টাইকুন জিমি লাইকে। হংকংয়ের গণতন্ত্রকামীদের অন্যতম মুখ বলে পরিচিত লাই। বরাবরই বেজিংয়ের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন ‘Next Digital’ মিডিয়া সংস্থার কর্ণধার লাই। চিন-বিরোধী খবর প্রকাশের জন্য বছরখানেক আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জিমির সংস্থার সংবাদপত্র ‘অ্যাপল ডেইলি’-কে।

[আরও পড়ুন: আচমকাই ইউক্রেনে মার্কিন ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন! জেলেনস্কির স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.