Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

দক্ষিণ চিন সাগরে মুখোমুখি আমেরিকা, চিনের যুদ্ধবিমান

তুঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি!!!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৭, ০৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০১৭, ০৮:৩৭

options
link
দক্ষিণ চিন সাগরে মুখোমুখি আমেরিকা, চিনের যুদ্ধবিমান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে দক্ষিণ চিন সাগরের আকাশে মুখোমুখি মার্কিন ও চিনা যুদ্ধবিমান৷ শুক্রবার এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানিয়েছে, ওই এলাকায় টহল দেওয়ার সময় মার্কিন নৌসেনার একটি নজরদারি বিমানের খুব কাছ ঘেষে অত্যন্ত ‘অপেশাদার’ ভাবে বেরিয়ে যায় একটি চিনা যুদ্ধবিমান৷ চলতি সপ্তাহে এনিয়ে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন৷

[সোনিয়ার মহাভোজে ‘না’, মোদির আমন্ত্রণে দিল্লির পথে নীতিশ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, হংকংয়ের ২৪০ কিমি দক্ষিন-পূর্বে আন্তর্জাতিক বাযুসীমায় উড়ান ভরছিল মার্কিন নৌসেনার  ‘P-3 Orion’ নজরদারি বিমান৷ ঠিক তক্ষুনি ওই বিমানটিকে লক্ষ্য করে ধেয়ে আসে দু’টি চিনা ‘J-10’ যুদ্ধবিমান৷ নীতিনিয়মের তোয়াক্কা  না করে অত্যন্ত ‘অপেশাদার’ ভাবে মার্কিন বিমানের খুব কাছ ঘেষে প্রায় ১০০ ফুট দূর দিয়ে বেরিয়ে যায় একটি চিনা বিমান৷ যদিও বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় রাজি হননি মার্কিন আধিকারিক৷ নৌসেনা কমান্ডার গ্যারি রস জানিয়েছেন, মার্কিন বিমানটি আন্তর্জাতিক বায়ুসীমায় টহল দিচ্ছিল৷ ঘটনাটি নিয়ে চিনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানিয়েছেন মার্কিন কমান্ডার৷ তবে আমেরিকার এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে বেজিং৷ চিনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রক দাবি করেছে মার্কিন বিমানটি পীত সাগরের উপর দিয়ে উড়ান ভরছিল তাই নিয়ম মেনেই চিনা বিমান ওই এলাকায় টহল দিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, বুধবার এক শীর্ষ মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছিলেন,  দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের নির্মিত বিতর্কিত দ্বীপের খুব কাছ ঘেষে মার্কিন নৌসেনার রণতরী টহল দিয়েছে। আন্তর্জাতিক জলসীমায় স্বাধীনভাবে বিচরণের অধিকার বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছিলেন ওই আধিকারিক। দক্ষিণ চিন সাগরের পুরোটাই নিজের বলে দাবি করে এসেছে বেজিং। পাশাপাশি ওই জলসীমায় দাবি জানিয়েছে ভিয়েতনাম, জাপান-সহ একাধিক দেশ। ওই জলসীমায় একাধিক কৃত্রিম দ্বীপ নির্মাণ করে যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করেছে লালফৌজ। তবে নিজের আগ্রাসনকে বাণিজ্যের মোড়কে মুড়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে বেজিং। ওই এলাকায় মার্কিন রণতরীর টহলকে আইন লঙ্ঘন ও উসকানিমূলক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে চিন।

[বন্যা মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কার পাশে মোদি, যাচ্ছে জাহাজ]

দু’দিন আগেই এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, আমেরিকার যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস ডিউই’ বিতর্কিত দ্বীপের ১২ মাইল জলসীমার মধ্যে দিয়ে পার হয়ে যায়। পেন্টাগনের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন জেফ ডেভিস জানিয়েছিলেন, এশিয়া-প্যাসিফিকে ও দক্ষিণ চিন সাগরে নিয়মিত টহল দেয় মার্কিন রণতরী। তবে এ বিষয়ে আরও বিশদে জানাতে রাজি হননি তিনি। দক্ষিণ চিন সাগরের প্যারাসেল ও স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চিন, ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সের মধ্যে বিবাদ রয়েছে।

[হাসপাতালের বেডে বসে খাবার খাচ্ছেন ‘মৃত’ রোগী! হতবাক পরিজনরা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.