Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে অনলাইনে মধুচক্রের রমরমা কারবার, পর্দা ফাঁস পুলিশের

রাজধানী ঢাকাতেই রমরমিয়ে এসকর্ট সার্ভিসের জাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:২৫

options
link
বাংলাদেশে অনলাইনে মধুচক্রের রমরমা কারবার, পর্দা ফাঁস পুলিশের zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: চোখ ধাঁধানো ওয়েবসাইট৷ গোটা ওয়েবসাইট জুড়ে লাস্যময়ীদের ছবি৷ বিভিন্ন পোজে তোলা যৌন আবেদনের ছবির নিচে দেওয়া যোগাযোগের ফোন নম্বর৷ তারপর বাকি দরাদরি ফোনেই৷ ‘ডিল’ ফাইনাল হলেই গ্রাহকের বলে দেওয়া ঠিকায় পৌঁছে যেত রহিমা, নার্গিসরা৷

খোদ রাজধানী ঢাকা শহরের বুকে প্রায় কয়েক বছর ধরে রমরমিয়ে চলছিল অনলাইনে মধুচক্রের ব্যবসা৷ গোপন সূত্রে খবর পয়ে ঢাকা পুলিশ ওই ওয়েবসাইটে অফিসে হানা দেয়৷ পুলিশের হস্তক্ষেপে লাটে ওঠে যৌন ব্যবসা৷ বাংলাদেশ পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ আলিমুজ্জামান জানান, মাহতাব রফিক অনলাইন ওয়েবসাইট খুলে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজ খুলে এসকর্ট সার্ভিসের ব্যবসা করছিলেন৷ পুলিশ এখন পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের ৮টি গ্রুপ এবং ৬টি পেজ খুঁজে পেয়েছে যেগুলির অ্যাডমিন ওই রফিক মিঞা৷ পেজগুলিতে বিজ্ঞাপনের মতো বিভিন্ন বয়সী মেয়েদের প্রোফাইল ও যৌন উদ্দীপক ছবি দেওয়া হত৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গ্রাহকরা অনলাইনে প্রোফাইল দেখে তাদের আগ্রহ জানাতেন৷ অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করা হতো এসব অনলাইন গ্রুপ এবং পেজে৷ এ গ্রুপে সবাই ঢুকতে পারতেন না৷ মাহতাব রফিকের বিরুদ্ধে আইটি ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে৷ মাস দু’য়েক আগে একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে অনলাইনে ঢাকায় ‘স্কোয়াট সার্ভিস’ অর্থাৎ সঙ্গী সরবরাহের ব্যবসা চালানোর বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট৷ অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ বেশ কতগুলি সাইট ও ফেসবুক পেজের সন্ধান পায় যেগুলির মাধ্যমে যৌনকর্মী সরবরাহের বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছিল৷

আলিমুজ্জামান জানান, এ পেজ খুলে যৌনকর্মী সরবরাহের সার্ভিস যেমন দেওয়া হচ্ছিল, একইসঙ্গে আগ্রহী গ্রাহকদের ব্ল্যাকমেল করা হচ্ছিল৷ এসবের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য পুলিশ সেসময় সাত জনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে৷  সেই প্রক্রিয়ায় সোমবার মাহতাব রফিককে ধরা হয়৷ এসব সাইট কারা ব্যবহার করতো, কারা কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, গোটা চক্রকে সন্ধান শুরু করেছে পুলিশ৷ রফিক পুলিশকে জানিয়েছে, সে ব্রিটেন থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে দেশে গিয়ে গার্মেন্টস ব্যবসা করেছে৷ চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের একজন সদস্য বলেও দাবি করেছে৷ পুলিশ অবশ্য তার এইসব বক্তব্য তদন্ত করে দেখছে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.