Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Elon Musk

দেউলিয়া হয়ে পড়তে পারে আমেরিকা! এলন মাস্কের দাবিতে চিন্তার ভাঁজ ট্রাম্পের কপালে

'অপব্যয়' কমাতে আমেরিকার সরকারি কমিটির প্রধান পদে রয়েছেন মাস্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ১৮:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ১৮:২৮

options
link
দেউলিয়া হয়ে পড়তে পারে আমেরিকা! এলন মাস্কের দাবিতে চিন্তার ভাঁজ ট্রাম্পের কপালে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতায় আসার পর ‘অপব্যয়’ কমানোর নীতি নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ইস্যুতেই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ট্রাম্প ক্যাবিনেটের সদস্য টেকগুরু এলন মাস্ক। তাঁর সতর্কবার্তা, সরকার দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ না নিলে দেউলিয়া হতে পারে আমেরিকা। মাস্কের এই বার্তায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার ভাঁজ ট্রাম্পের কপালে।

খরচ কমানোর আমেরিকার সরকারি দক্ষতা বিভাগ (DOGE)-এর প্রধান করা হয়েছে এলন মাস্ককে। উদ্দেশ্য, অপ্রয়োজনীয় সরকারি খরচে কাটছাঁট করা। ইতিমধ্যেই পরিকাঠামোগত খরচে ব্যাপকভাবে কাঁচি চালিয়েছে এলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি। এ প্রসঙ্গেই ট্রাম্পের উপস্থিতিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মাস্ক বলেন, “আমেরিকা দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে ঋণ নেয়। সেই ঋণের জন্য মোটা অঙ্কের সুদ দিতে হয়। এই সুদই আমেরিকার বিপদের কারণ হতে পারে।” মাস্ক আরও বলেন, “আমেরিকার জন্য বাজেট কমানো একান্ত প্রয়োজন। গত অর্থবর্ষে ১.৮ লক্ষ কোটি ডলারেরও বেশি ছিল। এই পরিস্থিতিতে আমেরিকার প্রদেশগুলির বরাদ্দ ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের খরচ যদি না কমানো হয় তাহলে বিপদ বাড়তে পারে। এই খাতের খরচে কাটছাঁট করা এখন আর বিকল্প নয়, বরং আবশ্যিক।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, খরচ কমানোর নীতিতে মাস্কের পরামর্শে প্রদেশগুলির বাজেটে রাশ টেনেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার ফলে পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে উন্নয়নে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বহু সরকারি সংস্থা অর্থের অভাবে বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছে। সরকারি কর্মীদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছে, এই নীতির বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হয়েছে মামলা। প্রশ্নের উঠেছে DOGE-এর প্রধান পদে থাকা মাস্কের ভূমিকা নিয়েও। কারণ, মার্কিন সরকারের বেশিরভাগ কন্ট্রাক্ট এখন মাস্কের সংস্থার হাতে।

এই অবস্থায় মাস্কের বার্তায় একটা বিষয় স্পষ্ট যে তিনি চাইছেন, পরিকাঠামো খাতে সরকারি খরচ কমিয়ে তা বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া। এতে সরকারের ব্যয় কমবে। তবে এর জেরে দেশের জনগণকে বিরাট সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এলন মাস্কের যুক্তি আমেরিকাকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে এটাই একমাত্র পথ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.