Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
US Navy

৯/১১’র মূলচক্রী লাদেনকে মেরেছিলেন, দাবি করা প্রাক্তন মার্কিন সেনা আধিকারিক পুলিশের জালে

টেক্সাসে গ্রেপ্তার হন তিনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ০৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০২৫, ০৯:৫০

options
link
৯/১১’র মূলচক্রী লাদেনকে মেরেছিলেন, দাবি করা প্রাক্তন মার্কিন সেনা আধিকারিক পুলিশের জালে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওসামা বিন লাদেনকে (Osama Bin Laden) গুলি করেছিলেন তিনি। এমনটাই দাবি ছিল প্রাক্তন মার্কিন (US) নৌসেনা আধিকারিকের। এবার টেক্সাসে গ্রেপ্তার হলেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রবার্ট ও’নিল। প্রাথমিক ভাবে গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিন পেয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রকাশ্যে নেশা করে মারধরের। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মৃত্যুদণ্ড’ দ্রুত কার্যকরে সওয়াল বিজেপি সাংসদের, নয়া দণ্ডবিধি নিয়ে বৈঠক সংসদে]

রবার্টের নাম প্রথম শোনা গিয়েছিল ২০১১ সালে। ৯/১১ হামলার মূলচক্রী ওসামা বিন লাদেনের হত্যার পর। তিনি দাবি করেছিলেন, তিনিই গুলি করে মেরেছেন লাদেনকে। ২০১৭ সালে তাঁর স্মৃতিকথা ‘দ্য অপারেটরে’ও এসেছে সেই প্রসঙ্গ। যদিও মার্কিন প্রশাসন তাঁর দাবিকে অস্বীকার যেমন করেনি, স্বীকৃতিও দেয়নি।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার টুইন টাওয়ারে আছড়ে পড়ে দু’টি যাত্রীবাহী বিমান। পেন্টাগনের গায়েও আছড়ে পড়ে একটি বিমান। এই হামলার ছক কষেছিল লাদেন। দীর্ঘদিন তার সন্ধানে ‘মিশন আফগানিস্তান’ চালিয়েছিল আমেরিকা। শেষপর্যন্ত অবশ্য পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লুকিয়ে থাকা লাদেনকে গুলি করে মারে মার্কিন সেনা।

[আরও পড়ুন: ইসরোয় যাওয়ার আগে কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে আসতে ‘বারণ’, বিতর্কের জবাব দিলেন মোদি]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.