Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
পাকিস্তান

পাকিস্তানের হাসপাতালে আত্মঘাতী হামলা, মৃত দুই পুলিশকর্মী-সহ ৯

বিস্ফোরক নিয়ে হামলা চালায় ২৮ বছরের এক যুবতী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৯, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০১৯, ২০:৫০

options
link
পাকিস্তানের হাসপাতালে আত্মঘাতী হামলা, মৃত দুই পুলিশকর্মী-সহ ৯ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাকিস্তানের একটি হাসপাতালে আত্মঘাতী হামলার জেরে মৃত্যু হল দুই পুলিশকর্মী-সহ ৯ জনের। জখম হয়েছেন আরও ২৬ জন। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোতলান সাইদান গ্রামে। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেওয়া হয় জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবানের তরফে। তাদের দুই সদস্যের মৃত্যুর বদলা নিতেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করে।

[আরও পড়ুন- খুনের পর কাটামুন্ডু ফুটপাথে, অস্ট্রেলিয়ার তরুণীর কাণ্ডে শিউড়ে উঠেছে পুলিশও]

ঘটনাটির সূত্রপাত হয় রবিবার সকালে। ডেরা ইসমাইল খান শহরের একটি পুলিশ চৌকিতে হামলা চালায় তেহরিক-ই-তালিবান জঙ্গিরা। এর জেরে দু’জন পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন অন্য পুলিশকর্মীরা। সেসময় আচমকা ওই হাসপাতালের গেটে এসে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় এক যুবতী। এর জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুই পুলিশকর্মী-সহ মোট ৯ জনের। জখম হন আরও ২৬ জন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এপ্রসঙ্গে স্থানীয় পুলিশ সুপার সালিম রিয়াজ বলেন, পুলিশকর্মীদের মৃতদেহ নিয়ে ওই হাসপাতালে আসার পরেই আত্মঘাতী হামলা চালায় বোরখা পরে থাকা ২৮ বছরের এক যুবতী। এর জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

[আরও পড়ুন- লন্ডনে টিউব রেলের দরজায় আটকে গেল মহিলার চুল, তারপর…]

মালিক হাবিব নামে অন্য এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, বিস্ফোরণের পর আতঙ্কে এদিক-ওদিক দৌড়াতে শুরু করেন হাসপাতালে থাকা মানুষজন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থল থেকে জখমদের উদ্ধার করা হচ্ছিল। সেসময় হাসপাতালের একটি কোণে আত্মঘাতী জঙ্গির কাটামুন্ডু দেখতে পান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

কিছুক্ষণ বাদে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে তেহরিক-ই-তালিবানের পাকিস্তানি মুখপাত্র মহম্মদ খুরাসানি। জানায়, কিছুদিন আগে তাদের দুই নেতাকে হত্যা করেছিল পাকিস্তানের পুলিশ। তার বদলা নিতেই হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে, এই হামলার খবর পাওয়ার পরে এর তীব্র নিন্দা করেছেন খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মামুদ খান। জঙ্গিদের এই হামলা পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানকে থামাতে পারবে না বলেও দাবি করেন তিনি। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.