Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নির্বাচন হবে সরকারের নজরদারিতেই, সাফ কথা হাসিনার

রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না জামাতে ইসলামি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৫:৫৩

options
link
নির্বাচন হবে সরকারের নজরদারিতেই, সাফ কথা হাসিনার zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: আসন্ন নির্বাচন হবে বর্তমান সরকারে অধীনেই। বিরোধীদের দাবি খারিজ করে শুক্রবার এমনটাই জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

[প্রণবের সফরের আগেই ঢাকায় বানচাল নাশকতার ছক, খতম ৩ জঙ্গি]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

চলতি বছরের শেষের দিকেই ভোটগ্রহণ হবে বাংলাদেশে। এনিয়ে প্রবল বিরোধিতায় সরব হয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। দলের সুপ্রিমো প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অভিযোগ, ভোটে কারচুপি করবে ক্ষমতাসীন সরকার। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নজরদারিতে নির্বাচনের দাবিতে অনড় বিরোধীপক্ষ। তবে এই চাপের মুখে নতিস্বীকার করছেন না হাসিনা। তাঁর সাফ কথা, আওয়ামি সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত। তাই ভোট হবে সরকারের অধীনেই। আওয়ামি লিগ সরকারের চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দেন হাসিনা। তিনি বলেন, “২০১৮ সালের শেষদিকে নির্বাচন হবে। কীভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা আমাদের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার সর্বোতভাবে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন পরিচালনায় সহায়তা দিয়ে যাবে।”

এদিন বিরোধী দলের অভিযোগ উড়িয়ে তাঁদের সতর্ক করে দেন হাসিনা। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা হতে পারে। আপনাদের এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। জনগণ অশান্তি চান না। নির্বাচন বয়কট করে আন্দোলনের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করবেন এটা আর জনগণ মেনে নেবে না।

বাংলাদেশের সমস্ত রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন হাসিনা। তবে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে বিএনপি কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। তাদের দাবি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত না হওয়ায় ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। বাংলাদেশের আরেকটি বড় রাজনৈতিক দল জামাতে ইসলামির রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাওয়ায় তারা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তবে জামাতের নেতারা ভিন্ন নামের কোন দল বা জোট বা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হতে পারবেন বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

[ট্রাম্পের সঙ্গে যৌনতা নিয়ে চুপ থাকতে পর্নস্টারকে দেওয়া হয়েছিল টাকা! কত জানেন ?]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.