কুমার সরকার, ঢাকা: টিভি খুলে স্টার জলসা চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখছিল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মমিতা আখতার। আর তাতেই বেজায় চটে যান তার বাবা-মা। রাগের মাথায় মেয়েকে বকা-ঝকা করেন তাঁরা। অভিমানে আত্মহত্যা করে ১৫ বছরের ওই স্কুল পড়ুয়া।
(মার্কিন মুলুকে ফের ভারতীয়র উপর হামলা, গুলিবিদ্ধ শিখ ধর্মাবলম্বী)
এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে ধাক্কা খেয়েছে স্টারের এই বাংলা চ্যানেলটি। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের একাংশের দাবি, এই বিনোদনের চ্যানেলটি সাধারণ মানুষের জীবনে খারাপ প্রভাব ফেলছে। চ্যানেলের সিরিয়ালগুলি যুবক-যুবতীদের ভুল পথে চালনা করছে। এমনকী অনেকে আত্মহননের পথও বেছে নিচ্ছে। আমজনতার আপত্তিতে সেখানে চ্যানেলটির সম্প্রচার বন্ধও করে দেওয়া হয়েছিল। তবে আপাতত ফের বাংলাদেশের ঘরে ঘরে সম্প্রচারিত হচ্ছে স্টার জলসা। আর এই জনপ্রিয় চ্যানেল দেখারই মূল্য দিতে হল খামিনার গ্রামের বাসিন্দা মমিতাকে।
(চিনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দক্ষিণ চিন সাগরে টহল মার্কিন রণবহরের)
শনিবার বাড়িতে বসে ওই চ্যানেলের একটি অনুষ্ঠান দেখছিল সে। বাবা-মা দেখতে পেয়ে বকুনি দেন তাকে। শুধুমাত্র ওই চ্যানেলটি দেখার জন্য এত বকুনি কিছুতেই সহ্য করতে পারেনি মমিতা। অভিমানে শনিবার গভীর রাতে বাড়ির পাশে একটি গাছে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে কিশোরী। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে মমিতার পরিবারে।