Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬

শনাক্ত করতে জুড়তে হয়েছিল লাদেনের ছিন্নভিন্ন মাথা

নিজের লেখা বইয়ে এমনটাই লিখলেন প্রাক্তন মার্কিন নৌ-কর্মী

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৫৫

options
link
শনাক্ত করতে জুড়তে হয়েছিল লাদেনের ছিন্নভিন্ন মাথা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : ওসামা বিন লাদেনকে এমন ভাবে মারা হয়েছিল টুকরো টুকরো হয়ে যায় তার মাথা। শনাক্ত করতে মাথার সেইসব টুকরো অংশকে জুড়তে হয়েছিল মার্কিন নৌ সেনাদের। নিজের লেখা বইয়ে এমনটাই দাবি করলেন প্রাক্তন এক মার্কিন নেভি সিল। তিনি লেখেন, লাদেনকে মারতে মাথায় পর পর তিনটি গুলি করা হয়। এরপরই টুকরো টুকরো হয়ে যায় তার মাথা।

[‘ট্রাই-এর নির্দেশ সত্ত্বেও কেন সামার সারপ্রাইজ অফার দিচ্ছে Jio?’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকার প্রাক্তন নৌ-সেনা রবার্ট ও নিল-এর লেখা ‘দ্য অপারেটর : ফায়ারিং দ্য শটস দ্যাট কিলড বিন লাদেন’। সেখানে উল্লেখ রয়েছে, ২০১১ সালে ২ মে-র সেই রাতের কথা। পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদের বাড়িটির উপরের তলায় ছিল আল কায়দা গোষ্ঠীর মাথা ওসামা বিন লাদেন। রবার্টের সঙ্গে ছিলেন আরও ৫-৬ জন নৌ কর্মী। দোতলায় AK 47 হাতে একটি স্তম্ভের পিছনে লুকিয়ে ছিল লাদেন-পুত্র খালিদ। মার্কিন সেনারা আরবী ভাষায়, খালেদকে বেরিয়ে আসতে বলে। সে সাড়া দিতেই তার মুখ লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়।

[প্রয়াত জয়ললিতার কেন্দ্রের উপনির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের]

এরপরই উপরের তলায় পৌঁছে যায় সেনারা। সেখানে লাদেন তার তিন স্ত্রী ও ১৭জন ছেলে মেয়ে ছিল। এক স্ত্রীর কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল লাদেন। তাকে লক্ষ্য করে পর পর গুলি ছোড়া হয়। মুহূর্তে টুকরো টুকরো হয়ে যায় লাদেনের মাথা। এরপরই শনাক্ত করার জন্য মাথার ছিন্নভিন্ন অংশ জোড়া হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.