সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ এবং প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে রুখতে আরও কাছাকাছি ভারত-ইজরায়েল। তেল আভিভে হাতে-হাতে মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করলেন নরেন্দ্র মোদি ও বেঞ্জামিন নেতানেয়াহু। মহাকাশ গবেষণা, কৃষি, জল সংরক্ষণ সহ সাতটি বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগে ইজরায়েলে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের দেশে ফেরার ব্যবস্থা সুগম হয়েছে। অনবাসী ভারতীয়দের অনুষ্ঠানে মোদি জানান ইজরায়েলের নতুন প্রজন্মর জন্য ভারতের দরজা সবসময় খোলা। তাদের পড়াশোনা এবং যাতায়াতের সুবিধার জন্য দিল্লি-মুম্বই-তেল আভিভ উড়ানের ব্যবস্থা হচ্ছে।
[ছবিতে সাদা-কালো ক্যাপশন, রোনাল্ডোকে নিয়ে দু’ভাগ দুনিয়া]
ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে বেঞ্জামিন নেতানেয়াহু। সন্ত্রাসবাদের বিরোধিতায় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের পাশে দাঁড়ালেন আরও এক রাষ্ট্রপ্রধান। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন সন্ত্রাসবাদ দমন তাঁদের অগ্রাধিকার। পশ্চিম এশিয়ায় বাড়তে থাকা অশান্তির নেপথ্যে ইজরায়েলের দিকে আঙুল উঠেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান, এক্ষেত্রে আলোচনাই সমাধানের পথ। প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ইজরায়েল সফর ঘিরে মোদির গলায় ছিল বাড়তি আবেগ। প্রধানমন্ত্রী জানান, এই সফরে আসতে পারে তিনি সম্মানিত। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নেতানেহায়ুর বক্তব্য, ভারতকে তাঁরা আলাদা চোখে দেখেন। নেতানেহায়ুর কথায়, ইজরায়েলিরা ভারতীয়দের ভালবাসেন। মোদির ইজরায়েল সফর নিয়ে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মোদি ইতিহাস তৈরি করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এটি সাড়া জাগানো ঘটনা। ভারত ও ইজরায়েল দুনিয়াকে বদলে দেবে। ঈশ্বর যেন এই জুটিকে তৈরি করেছেন।’
[শৌচাগার বানালেই অপঘাত! অন্ধবিশ্বাসে বিহারের গ্রামে ‘নো টয়লেট’]
এই ফিল গুড পরিবেশ বুঝিয়ে দিয়েছিল দুই দেশ একে অপরের যেন পরিপূরক। সেই বার্তা দিতে মহাকাশ গবেষণা, কৃষি, জল সংরক্ষণ সহ সাতটি বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি হয়। শিল্পোন্নয়ন এবং গবেষণার জন্য ৪ কোটি মার্কিন ডলারের একটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে। যেখান থেকে দুই দেশ কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে এগোবে। পাশাপাশি ইজরায়েলি তরুণ প্রজন্মকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তাদের যাতায়াতের সুবিধায় প্রথমবার মুম্বই, দিল্লি ও তেল আভিভের মধ্যে সরাসরি উড়ান পরিষেবা চালু হচ্ছে। ইজরায়েলে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের দেশে ফেরার ব্যবস্থা সরলীকরণের কথা জানিয়েছেন মোদি। জিএসটির কার্যকারিতা নিয়ে ইজরায়েলের মাটিতেও সওয়াল করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সংযোজন সরকার সংস্কার চায়। অর্থনীতিতে জোয়ার আনতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ এফডিআইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।