Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Taliban

‘পাখির চোখ’ আফগানিস্তান, চাবাহার হয়ে বাণিজ্য বিস্তারে তালিবানের সঙ্গে আলোচনা দিল্লির!

নয়াদিল্লি অবশ্য এখনও তালিবানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেয়নি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৪, ১৬:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৮, ২০২৪, ১৬:১৭

options
link
‘পাখির চোখ’ আফগানিস্তান, চাবাহার হয়ে বাণিজ্য বিস্তারে তালিবানের সঙ্গে আলোচনা দিল্লির! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লক্ষ্য ইরানের চাবাহার বন্দর। আর সেদিকে নজর রেখেই তালিবানের সঙ্গে বৈঠক ভারতীয় কূটনীতিকদের। বৃহস্পতিবার রাতের এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তালিবানের (Taliban) তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণে আগ্রহী দিল্লি। তবে ভারতের তরফে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক যুগ্ম সচিব জে পি সিংয়ের নেতৃত্বে কূটনীতিকদের এক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে তালিবানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রসঙ্গত, আফগান (Afghanistan) ভূম ব্যবহার করে ইরানের চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্যিক লেনদেন বাড়াতে চায় ভারত। এদিকে ‘কাবুলিওয়ালার দেশে’র সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরুয়াৎ করেছে চিন। মনে করা হচ্ছে, তালিবানের ভারতের বৈঠকের পিছনে এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘৩৭০ ধারা যদি এতই খারাপ হত…’, মোদিকে পালটা জবাব ফারুকের

উল্লেখ্য, এর আগে গত জানুয়ারিতেও মুত্তাকির সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধিদের বৈঠক হয়েছিল। ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানের প্রায় পুরোটাই নতুন করে চলে যায় তালিবানের দখলে। পরের বছরের জুনে জে পি সিং দেখা করেছিলেন তালিবানের মন্ত্রীদের সঙ্গে। সেটাই ছিল তালিবান ২.০ শুরু হওয়ার পরে ভারতের প্রথম কূটনৈতিক পদক্ষেপ। তবে এখনও তালিবানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ককে স্বীকৃতি দেয়নি ভারত।

এদিকে তালিবান নতুন করে আফগানিস্তান দখল করার পরে মনে করা হয়েছিল, হয়তো তারা ভারতে সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করতে পারে পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে। কিন্তু ভারতের কূটনৈতিক কৌশলে তা হয়নি। বরং পাকিস্তানের সঙ্গে আখুন্দজাদাদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। বাণিজ্যের মাধ্যমে তালিবানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে সমতা রাখতে চাইছে ভারত। এই পরিস্থিতিতে চাবাহার বন্দরকে ব্যবহার করে ভারত-আফগানিস্তান-ইরান বাণিজ্যপথ তৈরি করতে চায় নয়াদিল্লি। 

[আরও পড়ুন: হিজাবের পালটা গেরুয়া স্কার্ফ, ফের বিতর্কে উত্তাল কর্নাটকের কলেজ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.