সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের ৭২তম সাধারণ বৈঠকে মাসুদ আজহারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রসঙ্গ তুলবেন নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আকবরউদ্দিন। মাসুদ আজহার ইস্যুতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মহলে চাপ বাড়াতে চলেছে ভারত।
এর আগে, পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়ে থাকা জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারকে রাষ্ট্রসংঘের কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি ভেটো দিয়ে আটকে দেয় চিন। এর আগে মার্চ মাসেও বেজিং-এর এই পদক্ষেপ অস্বস্তিতে ফেলেছিল নয়াদিল্লিকে। তবে সদ্য সমাপ্ত ব্রিকস সম্মেলনে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে একহাত নিয়ে ভারতের পক্ষেই দাঁড়িয়েছিল চিন।
[ইসমাইলের পর কাশ্মীরে লস্করের রাশ ধরল ‘আইইডি’ জিনাত]
তবুও কূটনৈতিক শিবির মনে করছে, মাসুদ ইস্যুতে চিনকে ভরসা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। তবে নিরাপত্তা পরিষদে এই বিষয়ে কার্যত অসহায় ভারত। কারণ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য দেশের অন্যতম চিন। এপ্রিলে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সে দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ইয়াং জিয়েচির সঙ্গেও মাসুদ আজহারের প্রসঙ্গে কথা বলেছিলেন।
[প্রয়াত বায়ুসেনা মার্শালকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে এ কী করলেন রাহুল?]
সাউথ ব্লক জানে, স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসাবে চিনের হাতে ভেটো দেওয়ার অধিকার যত দিন থাকবে, তত দিন মাসুদকে ওই তালিকায় আনা যাবে না। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে মাস তিনেক আগে, এই প্রসঙ্গে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে সুর জোরাল করে আমেরিকাও। কিন্তু আমেরিকার বার্তাকেও যে চিন আমল দিচ্ছে না, তা পরে স্পষ্ট হয়ে যায়।
[জাপান, জার্মানিকে ছাপিয়ে অর্থনীতিতে তৃতীয় বৃহত্তম হওয়ায় এগিয়ে ভারতই]
তবু মাসুদ আজহারকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার রাস্তায় আঁটঘাট বেধে এগোতে চাইছে ভারত। রবিবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ বৈঠক শুরু হচ্ছে। এদিনই নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সন্ত্রাসবাদ ছাড়াও এবারের বৈঠকে কথা হতে পারে জলবায়ু পরিবর্তন, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে। ২৩ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বক্তব্য রাখবেন বিদেশমন্ত্রী।