Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মেয়েকে অত্যাচার, ১৫ বছরের জেল সৎ মা’র

খারাপ আচরণ যখন ভয়াবহ অত্যাচারে পরিণত হয় এবং সন্তানের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে তখন সেই কুমাতার শাস্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৬, ১৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৬, ১৭:৩০

options
link
মেয়েকে অত্যাচার, ১৫ বছরের জেল সৎ মা’র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সন্তানের প্রতি সৎ মা’র খারাপ আচরণের ঘটনা নতুন নয়৷ তবে খারাপ আচরণ যখন ভয়াবহ অত্যাচারে পরিণত হয় এবং সন্তানের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে তখন সেই কুমাতার শাস্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়৷ অন্তত এমনটাই বলেছেন কুইনস সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রিচার্ড বুচটার৷ আর তাই সেই কুমাতার শাস্তি হিসাবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ৩৫ বছরের শীতল রানোটকে ১৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করল আদালত৷

জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের কুইনসের বাসিন্দা শীতল রানোট তাঁর ১২ বছরের সৎ মেয়ে মায়াকে একেবারেই সহ্য করতে পারতেন না৷ আর তাই গত দু’বছর ধরে চরম অত্যাচার করেছেন ছোট্ট মেয়েটির উপর৷ রাগের বশেই তিনি তাঁর সন্তানকে নৃশংসভাবে মারার পাশাপাশি, গত দু’বছর ঠিক করে খেতে পর্যন্ত দেননি৷ এতেই থেমে নেই তাঁর অত্যাচারের ফিরিস্তি৷ সৎ মেয়েকে ধাতব রড, জুতো দিয়ে বেধড়ক মারতেন৷ জানা গিয়েছে, জুতো সমেতই মায়ার মুখে সপাটে লাথি মেরে মুখ ফাটিয়ে দিয়েছিলেন শীতল৷ ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ২০১৪ সালের মে মাস পর্যন্ত মায়াকে নিজের ঘরে আটকে রাখেন তিনি৷ মেয়েটি খিদের চোটে ছটফট করলেও তাকে খেতে দেওয়া হয়নি৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর সন্তানের উপর এহেন অত্যাচার করার অভিযোগের ভিত্তিতেই ১৫ বছরের জেল হল ওই মায়ের৷ শীতলের পাশাপাশি তাঁর স্বামী রাজেশ রানোটের বিরুদ্ধেও স্থানীয় শিশু বিকাশ দফতরের তরফ থেকে একইভাবে সন্তানকে হেনস্তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে৷

যদিও বর্তমানে মায়া সম্পূর্ণ নিরাপদে রয়েছে৷ অসুস্থ অবস্থায় কুইনস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.