সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আচ্ছে দিন’-এর স্বপ্ন দেখিয়ে দিল্লির মসনদে বসেছেন তিনি। গত তিন বছরে বারবার উন্নয়নের কথাই শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে। তাঁর উদ্যোগেই দেশ জুড়ে চালু হয়েছে ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’। ডিজিটাল ইন্ডিয়া, দুর্নীর্তিমুক্ত প্রশাসন গড়ার কথাও বলা হচ্ছে। বস্তুত, বিদেশ সফরে গিয়ে প্রবাসী ভারতীয়দের সামনেও কেন্দ্রীয় সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরছেন মোদি। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকারের এইসব উদ্যোগ জনমানসে খুব একটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে, এমনটা কিন্তু নয়। অন্তত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। ভারতীয়দের মধ্যে ভিনদেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রবণতাই বাড়ছে। সম্প্রতি অর্গানাইজেশন অফ ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভালপমেন্ট বা OECD-এর তরফে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় বংশোম্ভূতরাই সবচেয়ে বেশি অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন।
[মহিলার বাড়িতে ঢুকে পড়ল বিষধর সাপ, তারপর…]
অর্গানাইজেশন অফ ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভালপমেন্ট বা OECD হল একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড-সহ প্রায় ৩৫টি দেশ এই সংগঠনের সদস্য। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন আউটলুক নামে একটি সংস্থার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে OECD। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার প্রবাসী ভারতীয় OECD-র সদস্য দেশগুলির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এঁদের বেশিরভাগই কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বাইরে রয়েছেন। এই তালিকায় ভারতের পরই রয়েছে মেক্সিকো ও ফিলিপিনস। পঞ্চম স্থানে চিন।
[মোদিকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রী বলে দাবি ইজরায়েলি মিডিয়ার]
বস্তুত, ২০১৫ সালে প্রায় ২০ লক্ষের কিছু বেশি মানুষ OECD-র সদস্য দেশগুলির নাগরিকত্ব নিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। যা তার আগের বছর মানে ২০১৪ সালের তুলনায় সামান্য বেশি। OECD-র সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাঞ্জেল গুরিয়া বলেন, অভিবাসী, তাঁদের সন্তান, এমনকী উদ্বাস্তুদেরও সমাজে মূলস্রোতে জায়গা করে দিতে হবে। তাহলেই আগামীদিনে আরও সমৃদ্ধশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।