Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Israel

‘সাপ সাপই থাকে’, ইজরায়েলকে ‘যুদ্ধাপরাধী’র তকমা দিয়ে খোঁচার মুখে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট

'প্যালেস্টাইনপন্থী' এরদোগান কাঠগড়ায় তুলছেন পশ্চিমী দেশগুলিকেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৩, ১০:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৯, ২০২৩, ১০:৫৪

options
link
‘সাপ সাপই থাকে’, ইজরায়েলকে ‘যুদ্ধাপরাধী’র তকমা দিয়ে খোঁচার মুখে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হামাস-ইজরায়েল সংঘর্ষের আবহে ক্রমেই সম্পর্কে অবনতি হচ্ছে তেল আভিভ ও তুরস্কের (Turkey)। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোগান (Recep Tayyip Erdogan) ইজরায়েলকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলে কাঠগড়ায় তোলার পর তাঁকে ‘সাপ’ বলে কটাক্ষ করলেন রাষ্ট্রসংঘে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত। জানালেন, ”সাপ সাপই থাকে।”

হামাসের সঙ্গে ইজরায়েলের সংঘর্ষে নেতানিয়াহু প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন এরদোগান। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”প্রতিটি দেশের অধিকার রয়েছে আত্মরক্ষার। কিন্তু এখানে ন্যায় কোথায়? ইজরায়েল যুদ্ধাপরাধীর মতো আচরণ করছে। পশ্চিমী দেশগুলি ইউক্রেনের যুদ্ধে প্রয়াতদের উদ্দেশে চোখের জল ফেললেও গাজায় প্যালেস্তিনীয়দের বেলায় তারা চোখ বুজে রয়েছে। এই ধরনের দ্বিচারিতার বিরোধিতা করছি।” সেই সঙ্গে তাঁর হুঙ্কার, ”আমরা সারা বিশ্বকে বলতে চাই, ইজরায়েল এক যুদ্ধাপরাধী। আমরা এর প্রস্তুতি নিচ্ছি। ওদের যুদ্ধাপরাধী বলে ঘোষণা করবই। গত ২২ দিন ধরে যুদ্ধাপরাধ করে চলেছে ইজরায়েল। অথচ পশ্চিমী নেতারা ওদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে না।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলে দু ঘণ্টার মধ্যে জাতিগত জনগণনা! বড় ঘোষণা রাহুলের]

এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘে ইজরায়েলের (Israel) রাষ্ট্রদূত জিলাদ এরদান এরদোগান সম্পর্কে বলতে গিয়ে জানাচ্ছেন, ”সাপ সাপই থাকে। এরদোগান নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চাইছেন। কিন্তু সেমিটিক বিরোধী রয়েই গিয়েছেন।” প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর হামাস রকেট হামলা চালায় ইজরায়েলে। সেই সঙ্গে ইজরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে বহু ইজরায়েলিকে পণবন্দিও করে তারা। সেই হামলায় অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়। যাঁদের অধিকাংশই সাধারণ নাগরিক। পরে হামাস শিবিরের লক্ষ্যে পালটা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনাও। এখনও পর্যন্ত তাদের বিমান হামলায় গাজা ভূখণ্ডে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮ হাজার। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, যাদের মধ্যে অর্ধেকই শিশু।

[আরও পড়ুন: ১৬০০ কোটি তছরুপের অভিযোগ, ইডির জালে অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই প্রতিষ্ঠাতা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.