Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Jaishankar

কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ভারতের! তদন্তের মাঝেই ট্রুডোর ‘দূতে’র সঙ্গে বৈঠকে জয়শংকর

দুটি সাধারণ নির্বাচনে নাক গলানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১৮:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪, ১৮:০৫

options
link
কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ ভারতের! তদন্তের মাঝেই ট্রুডোর ‘দূতে’র সঙ্গে বৈঠকে জয়শংকর zoom
কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জোলির সঙ্গে দেখা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খলিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যা নিয়ে তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। এর মাঝেই সেদেশের দুটি সাধারণ নির্বাচনে নাক গলানোর অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে ফের সংঘাতে জড়িয়েছে দুই দেশ। এহেন পরিস্থিতিতে কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জোলির সঙ্গে দেখা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।

জানা গিয়েছে, মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে জার্মানি গিয়েছেন জয়শংকর (S Jaishankar)। সেখানেই তিনি বৈঠক করেছেন মেলানি জোলির সঙ্গে। এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে বিদেশমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘দুই দেশের বর্তমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আমাদের মধ্যে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের মত বিনিময় হয়েছে।’ এই সম্মেলনে যোগ দিতে জার্মানি গিয়েছেন মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন এবং ব্রিটিশ বিদেশসচিব ডেভিড ক্যামেরন। সকলের সঙ্গেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা করেছেন জয়শংকর এবং জোলি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বলে রাখা ভালো, কানাডার (Canada) নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগের কড়া বিরোধিতা করেছে নয়াদিল্লি। যা নিয়ে ফের উত্তেজনা বেড়েছে দুদেশের মধ্যে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে এই বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। যাতে পরবর্তীতে ভারত-কানাডা সম্পর্কের ফাটল চওড়া না হয়। কারণ এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে দুদেশের নাগরিকদের মধ্যে। 

উল্লেখ্য, গত বছর সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে বলা হয়েছিল, গণমাধ্যমে গোয়েন্দা নথি ফাঁস হওয়ার পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তদন্ত শুরু করেছেন। নথিগুলোতে বলা হয়েছিল, কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছিল চিন। সেই ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে ফেডারেল কমিশন। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই নাকি উঠে আসে ভারতের নাম। ২০১৯ ও ২০২১ সালে নির্বাচন ভারত কোনওভাবে প্রভাবিত করেছে কি না তা যাচাই করতে কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে কয়েকটি নথি জমা দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.