Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দূতাবাসেই মৃত্যু হয় খাশোগ্গির, অবশেষে স্বীকারোক্তি সৌদি আরবের

দূতাবাসের মধ্যে সাংবাদিকের শিরচ্ছেদের ঘটনা বিরল৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৮, ১১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৮, ১১:৩৮

options
link
দূতাবাসেই মৃত্যু হয় খাশোগ্গির, অবশেষে স্বীকারোক্তি সৌদি আরবের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গি অন্তর্ধান রহস্যে নয়া মোড়। ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসেই প্রাণ হারিয়েছেন খাশোগ্গি, অবস্থান পালটে স্বীকার করল সৌদি আরব। শনিবার, রিয়াধের বয়ান প্রকাশ করে সে দেশের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা এসপিএ।

[শহরের কোন গুদামে কত বাজি, নজরদারি শুরু পুলিশের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সৌদি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ সাদ আল-মোজেব দাবি করেন, দূতাবাসের ভিতরে কয়েকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পরেন খাশোগ্গি। তা গড়ায় হাতাহাতিতে। গুরুতর চোট লাগায় সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ওই সাংবাদিক। তবে কাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান খাশোগ্গি এবং তাঁর দেহ লোপাট হল কী করে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। এদিকে এহেন দাবি মানতে নারাজ আন্তর্জাতিক মহল। তুরস্ক-সহ অনেকরই দাবি, খুন করা হয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট-এর কলামিস্ট খাশোগ্গিকে।

তুরস্কের পুলিশের দাবি, সৌদি আরব থেকে এসেছিল সামরিক গোয়েন্দাদের ১৫ জনের একটি গোপন দল। এরা উঠেছিল ইস্তানবুলে সৌদি কনসুলেটে। সেখানেই আগে থেকে এনে রাখা হয়েছিল অপহৃত খাশোগ্গিকে। টানা জেরার পর তাঁকে সেখানেই হত্যা করা হয়। তুরস্কে তাঁর প্রেমিকাকে বিয়ে করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন প্রৌঢ় খাশোগ্গি। এরপর তাঁকে নিয়ে যেতেন সৌদিতে নিজের বাড়ি। সেই উপলক্ষ্যে হবু স্ত্রীর ভিসার আবেদন জমা দিতে নথিপত্র-সহ গিয়েছিলেন ইস্তানবুলের সৌদি কনসুলেটে। কিন্তু কনসুলেটে ঢুকে আর বের হতে পারেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স আবদুল আজিজ সলমনকে ফোন করে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, যদি এমন প্রমাণ পাওয়া যায় যে খাশোগ্গির হত্যার ঘটনায় সৌদি সরকার জড়িত, তাহলে তিনি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ‘ভয়ঙ্কর শাস্তিমূলক’ ব্যবস্থা নেবেন। সেই শাস্তি সামরিক ব্যবস্থা বা আর্থিক নিষেধাজ্ঞাও হতে পারে। এমন ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। কিন্তু কোনও দেশের সরকার কোনও সাংবাদিককে এরকম ভয়ঙ্করভাবে হত্যা করেছে তার নজির সম্প্রতি নেই। এমনকী কোনও দূতাবাসের মধ্যে ঠান্ডা মাথায় কোনও সাংবাদিকের শিরচ্ছেদ করা হচ্ছে, এমন উদাহরণও বিরল।     

[অমৃতসরের দুর্ঘটনায় মৃত বেড়ে ৬০, শোকপ্রকাশ কানাডার প্রধানমন্ত্রীর]     

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.