সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিকম্পে টালমাটাল জাপানে এবার বিধ্বংসী বিমান দুর্ঘটনা। টোকিওর হানেদা বিমানবন্দরে জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হল একটি কোস্ট গার্ড জেটের। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সংঘর্ষে বিস্ফোরণ ঘটে। এর পরেই আগুন ধরে যায় যাত্রীবাহী বিমানটিতে। যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কার মধ্যেই জানা গিয়েছে উদ্ধারকারীরা যাত্রীবাহী ৩৬৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছে। যদিও কোস্ট গার্ড বিমানে থাকা ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
#WATCH | A Japan Airlines jet was engulfed in flames at Tokyo’s Haneda airport after a possible collision with a Coast Guard aircraft, with the airline saying that all 379 passengers and crew had been safely evacuated: Reuters
Advertisement(Source: Reuters) pic.twitter.com/fohKUjk8U9
— ANI (@ANI) January 2, 2024
জাপানের সংবাদসংস্থা এনআইচকের খবর, জাপান এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস এ৩৫০ যাত্রীবাহী বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় কোস্ট গার্ড বিমানের। যাত্রীবাহী বিমানটি হোক্কাইদা থেকে সবে পৌঁছেছিল হানাদায়। সংঘর্ষের পরেই যাত্রীবাহী বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা গিয়েছে, বিমানের জানলাগুলিতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। ওই মুহূর্তে উদ্ধারকাজে নামেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষীরা। আগুন নেভাতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ৭০টি ইঞ্জিন। নিরাপদে যাত্রীবাহী বিমানে থাকা ৩৬৭ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে।
[আরও পড়ুন: গাজা থেকে হাজার হাজার সেনা সরাচ্ছে ইজরায়েল! কেন এমন সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুর?]
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দিতে বলেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। যাত্রীবাহী বিমানের ৩৬৭ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা গেলেও কোস্ট গার্ড জেটের ৬ জনের মধ্যে একজনকে উদ্ধার করা গিয়েছিল। বাকি ৫ জনের আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। টোকিও বিমানবন্দরে এক কোস্ট গার্ড আধিকারিকের বলেন, “আমাদের বিমানটির সঙ্গে যাত্রীবাহী বিমানটির সংঘর্ষ হয়েছিল কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে দুর্ঘটনায় দুটি বিমানই জড়িত।”
[আরও পড়ুন: ডেনমার্কের সিংহাসন ছাড়ছেন রানি দ্বিতীয় মার্গারেট, এবার মসনদে কে?]
উল্লেখ্য, সোমবার রিখটার স্কেলে ৭.৬ মাত্রায় তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে উদীয়মান সূর্যের দেশ। তার পর থেকে ১৫৫ বার কম্পন অনুভূত হয়েছে! শেষ পাওয়া তথ্য মোতাবেক, এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৮ জনের। তবে হতাহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে অনেকে। বিস্তর ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা।