Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
US China

অতিরিক্ত শুল্ক নয়, রুশ তেল আমদানির ‘শাস্তি’ দিতে চিনকে ভাতে মারার ছক! ইঙ্গিত ট্রাম্পের

রুশ তেল আমদানির সাজা ভুগবে চিনও, সাফ জানালেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৩:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৩:৪০

options
link
অতিরিক্ত শুল্ক নয়, রুশ তেল আমদানির ‘শাস্তি’ দিতে চিনকে ভাতে মারার ছক! ইঙ্গিত ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের পর এবার চিন। রুশ তেল কেনার অপরাধে এবার শি জিনপিংয়ের দেশকে শাস্তি দিতে চলেছে আমেরিকা। এমনটাই জানালেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর মতে, ভারতের মতোই রুশ তেল কেনার শাস্তি এবার পেতে হবে চিনকেও।

গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ভারতের উপর আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হল। তাঁর কথায়, রাশিয়া থেকে ভারত এখনও তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে। তার শাস্তিস্বরূপ বাড়তি কর বসানো হল ভারতীয় পণ্যের উপর। অর্থাৎ এবার ভারতীয় পণ্যের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। এক্সিকিউটিভ অর্ডার সই করে ট্রাম্প জানান, ২১ দিন পর থেকে কার্যকর হবে ভারতের নয়া শুল্কহার। সেখানে স্পষ্ট লেখা হয়, ‘প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ভারত বর্তমানে রুশ তেল আমদানি করছে। তাই আমার মনে হয় ভারতের উপর আরও বেশি শুল্ক চাপানো দরকার।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে তুলোধোনা করে ভারত জানায়, ‘অন্য বহু দেশ নিজেদের জাতীয় স্বার্থের কথা ভেবে একই কাজ (রুশ তেল কেনা) করছে। কিন্তু আমেরিকা কেবল ভারতের উপরেই অতিরিক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে, এটা যথেষ্ট দুর্ভাগ্য়জনক। মার্কিন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বলতে চাই, এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অযৌক্তিক এবং অন্যায়। নিজেদের জাতীয় স্বার্থকে সুরক্ষিত করতে সমস্তরকম পদক্ষেপ করবে ভারত।’ এহেন প্রতিক্রিয়ার পরে অবশ্য ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, রুশ তেল আমদানিকারী অন্যান্য দেশগুলির উপরেও এবার শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।

তবে ভ্যান্স স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রুশ তেল আমদানির সাজা ভুগবে চিনও। একটি সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স জানান, ‘‘প্রেসিডেন্ট এটা নিয়ে ভাবছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। কারণ চিনের বিষয়টি একটু বেশি জটিল। চিনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের উপর অন্য অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে, যার সঙ্গে রাশিয়ার পরিস্থিতির সম্পর্ক নেই।’’ তবে এই মন্তব্যের খানিক পরেই সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, ‘সয়াবিনের অভাব নিয়ে চিন চিন্তিত। তবে আমাদের চাষিরা খুব ভাল সয়াবিন উৎপাদন করেন। আশা করব, চিন দ্রুত সয়াবিনের অর্ডার চার গুণ বাড়িয়ে দেবে।’ তাহলে কি চিনকে ‘শাস্তি’ দিতে সয়াবিনকে হাতিয়ার করবে আমেরিকা?

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.