Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মুক্তি চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন খালেদা জিয়ার

সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি দেখে সময় কাটছে খালেদার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১৩:৩৪

options
link
মুক্তি চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন খালেদা জিয়ার zoom
ফাইল ছবি

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঢাকার নিম্ন আদালতে ৫ বছরের সাজা ও ২ কোটি টাকা জরিমানার রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় তার আইনজীবীরা এ আপিল দায়ের করেন। আপিলের পাশাপাশি আবেদনে জামিনও চাওয়া হয়েছে।

এদিকে খালেদা জিয়া ঘুম থেকে উঠে সকালের জল খাবার হিসেবে রুটি ও সবজি খান। কারাগারে প্রতিদিন তাঁকে একটি দৈনিক পত্রিকা দেওয়া হয়। সেটি তিনি পড়েন। এরপর স্নান করেন, পরে জোহরের নমাজ পড়েন। জোহরের নমাজ শেষে তিনি অজিফা পড়েন। তিনি ডে-কেয়ার সেন্টারের বারান্দায় পায়চারি করেন, পরে সেখানে কিছুক্ষণ চেয়ারে বসেন। দুপুরের খাবার খান বিকেল চারটা থেকে সাড়ে চারটার দিকে। দুপুরে তাঁকে ভাত, সবজি, রুই বা আইড় মাছ খেতে দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল বিটিভি দেখেন। এরপর রাতের খাবার খান। রাতে তাঁকে সবজি ও রুটি, মুগ ডাল খেতে দেওয়া হয়। কোনও কোনও দিন রাতে ভাত খেতে দেওয়া হয়। খাবার শেষে আবার খালেদা জিয়া বিটিভি দেখেন। পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁর খাবার রান্না করা হয়। রান্না করা এ খাবার প্রথমে উপকারাধ্যক্ষ ও কারাধ্যক্ষ খান। পরে চিকিৎসক পরীক্ষা করেন। রাজধানীর নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে দায়িত্বশীল একাধিক কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বিমানে এসির সামনে অন্তর্বাস শুকিয়ে নিচ্ছেন তরুণী, ভাইরাল ভিডিও]

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -৫ এর বিচারক ড. মহম্মদ আখতারুজ্জামান। সেই থেকে নাজিমউদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন তিনি। একইসঙ্গে দলটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও পুত্র তারেক রহমান-সহ অপর পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয় আদালত। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা রায়ের সার্টিফাইড কপি বা অনুলিপি হাতে পান। রায়ের কপি নিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন কাজলও। রায়ের দিন আদালত ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ পড়েন। সোমবার যে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে তা ১১৭৪ পৃষ্ঠার।এদিকে রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি এতিম তহবিলের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা ৮০ পয়সা আত্মসাতের ঘটনা ঘটিয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা বর্তমান সময়ে অনেক বেশি।

[স্বামীর ১০ ডলারের ভ্যালেন্টাইনস গিফটে ৬৪ লক্ষের জ্যাকপট জিতলেন স্ত্রী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.