সুকুমার সরকার, ঢাকা: দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া আইনি নোটিস প্রত্যাহার না করলে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশের শাসকদল আওয়ামি লিগ। বিদেশে খালেদা জিয়ার সম্পত্তি নিয়ে বক্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বুধবার সকালে আইনি নোটিস পাঠান বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নোটিসে বলা হয়, ওই বক্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে এবং তা সংবাদমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে তা করা না হলে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির বুধবার সকালে ঢাকায় সংবাদসম্মেলন করে বলেন, খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাহবুবউদ্দিন খোকন মঙ্গলবার ডাক যোগে ওই নোটিস পাঠান। ফখরুলের বক্তব্যের ৫ ঘণ্টা পরেই সংবাদসম্মেলন করে শাসকদল আওয়ামি লিগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরি এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন। মতিয়া চৌধুরি বলেন, ‘খালেদা জিয়া আইনি নোটিস দিয়েছেন। আমরা আইনগতভাবেই বিষয়টির মোকাবিলা করব’।
[সু কি’র নির্দেশেই রাখাইনে ৩৫৪টি গ্রাম পুড়িয়েছে সেনা, অনুমান রাষ্ট্রসংঘের]
সম্প্রতি দেশের কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে বিদেশি একটি প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে বলা হয়, বাংলাদেশে দুর্নীতি মামলায় বিচারের মুখে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে সৌদি আরবে। গত ৭ ডিসেম্বর গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নে ওই প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে
এই মানহানিকর তথ্য প্রচারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানান। হাসান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া অবিলম্বে এই আইনি নোটিস প্রত্যাহার না করলে এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে’। বুধবার বিকেলে আওয়ামি লিগ সভাপতির ঢাকার ধানমণ্ডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, ১২টি দেশে খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের এক হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ এসেছে। জরিমানা দিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন খালেদা জিয়া।