Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

নির্মলার কৌশলেই বাজিমাত, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে সুর নরম চিনের

কী করে চিনকে বাগে আনলেন নির্মলা সীতারমণ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৭, ০৩:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৭, ০৩:১৬

options
link
নির্মলার কৌশলেই বাজিমাত, সীমান্ত সমস্যা নিয়ে সুর নরম চিনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের ‘নমস্তে’ কূটনীতির সাফল্য মিলল হাতেনাতে। চিন সোমবার ঘোষণা করল, ডোকলাম-সহ ভারতের প্রতিটি সীমান্তে তারা শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে। দু’দেশের  সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

চিনা বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চানিয়াং এদিন জানান, সিকিম সেক্টর নিয়ে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে চিনা রাজবংশের চুক্তি হয়েছিল ১৮৯০ সালে। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত সিকিমে দুই দেশের কোনও উচ্চপর্যায়ের নেতা বা মন্ত্রী কেউ সফর করেননি। সে ক্ষেত্রে ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সফর নজিরবিহীন এবং খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। তাই চিন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই সফরকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে চিনা সেনা অফিসারদের কথাবার্তা যথেষ্ট ইতিবাচক ও উপভোগ্য ছিল। নাথুলা সীমান্ত ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে চিনা সেনাদের সাক্ষাতের মতো বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল। প্রোটোকল ভেঙে যেভাবে উনি চিনা সেনাদের সঙ্গে নমস্তে ও কুশল বিনিময় করেছেন তার জন্য চিন নির্মলা সীতারমণকে ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement


অন্যদিকে, চিনের সরকার পরিচালিত টিভি চ্যানেল, খবরের কাগজগুলিতে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে চিনা সেনা অফিসারদের হাসিমুখে নমস্তে বিনিময়।  চিনের দুটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্র সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ও গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়েছেন। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে মানসিক দূরত্ব অনেকটাই কমিয়ে দিলেন তিনি। তবে সুর নরম করলেও সীমা বিবাদে নিজের অবস্থান বদল করেনি বেজিং। চিনা সরকারি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সমঝে বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ভারতের। সামরিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন করতে গিয়ে যেন সীমা বিবাদ উসকে না দেয় দিল্লি। চিন ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও বিশ্বাস অঞ্চলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে মদত দেবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের দাবি, উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপে রয়েছে চিন।  এদিকে ক্রমশ আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের দিকে এগিয়ে চলেছে কমিউনিস্ট দেশটি। ফলে এই মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে ‘সেকেন্ড ফ্রন্ট’ বা সরাসরি সংঘাতে যেতে চাইছে না লালফৌজ। সম্প্রতি বেজিংয়ের সুর নরম করা নেপথ্যে কাজ করে এই কারণগুলিই।

[বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হিন্দুদের গণহত্যায় জড়িত ২২ রোহিঙ্গা জঙ্গি]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.