Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

‘এখন প্রস্তাব ভারতের, কিন্তু দেরি হয়ে গিয়েছে’, শুল্ক প্রত্যাহারের সম্ভাবনা খারিজ করে পালটা বার্তা ট্রাম্পের

ইন্দো-আমেরিকা বাণিজ্য সম্পর্ককে একপাক্ষিক 'বিপর্যয়' বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫, ১৮:৩৫

options
link
‘এখন প্রস্তাব ভারতের, কিন্তু দেরি হয়ে গিয়েছে’, শুল্ক প্রত্যাহারের সম্ভাবনা খারিজ করে পালটা বার্তা ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাঙবেন তবু মচকাবেন না। ভারতকে এই বার্তায় দিয়ে রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চিনের তিয়ানজিনে এসসিও সামিটে শীর্ষসম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পার্শ্ববৈঠক করেছেন। কাছাকাছি এসে ট্রাম্পকে কার্যত বার্তা দিয়েছেন তিন রাষ্ট্রপ্রধান। এই অবস্থাতেও ধনকুবের মার্কিন প্রেসিডেন্টের বার্তা, ‘একতরফা ব্যবসা করে যাচ্ছিল ভারত, এখন দেরি হয়ে গিয়েছে’! অর্থাৎ কিনা কোনও মতেই ভারতীয় পণ্যের উপর শাস্তিমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করবে না আমেরিকা।

এদিন ট্রাম্প দাবি করলেন, “ওরা (ভারত) এখন (মার্কিন পণ্য) শুল্কশূন্য করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটা ওদের অনেক আগেই করা উচিত ছিল।” এখানেই না থেমে ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ককে একপাক্ষিক বিপর্যয় বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রুথ সোশালের একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘খুব কম মানুষই বোঝেন যে আমরা ভারতের সঙ্গে খুব কম ব্যবসা করি। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে ব্যবসা করে। সোজা কথায় বলতে গেলে, ভারত আমাদের কাছে প্রচুর পরিমাণে পণ্য বিক্রি করে। আমরা তাদের সবচেয়ে বড় গ্রাহক (ক্লায়েন্ট)। কিন্তু আমরা তাদের খুব কম পরিমাণ পণ্য বিক্রি করি।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘ভারত এখন আমাদের উপর এত বেশি শুল্ক আরোপ করেছে, যা অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। আমরা আমাদের পণ্য ভারতে বিক্রি করতে অক্ষম। এটি সম্পূর্ণ একতরফা বিপর্যয়!’’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান। পরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখায় অতিরিক্ত আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। পাশাপাশি সতর্কবার্তা দিয়ে ওয়াশিংটন জানিয়েছে, মস্কোর সঙ্গে তেল বাণিজ্য চালালে ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফার নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে।

হোয়াইট হাউসের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পিটার নাভারো প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন, “ইউক্রেনে শান্তির রাস্তা দিল্লি দিয়েই যায়।” এই বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ভারতকে কূটনৈতিকভাবে চাপে রাখতেই যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক বাণিজ্যিক চাপ প্রয়োগ করছে। তবে ভারত জানিয়েছে, এই শুল্ক আরোপ অন্যায্য এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিধির পরিপন্থী। সরকারি মহলের আশা, দেশীয় বাজারের ভরসায় এবং কৌশলগত বিকল্প খুঁজে নিয়েই ভারত অর্থনীতির ওপর চাপ কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.