Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পিজ্জা বানিয়ে গিনেসবুকে নাম তুললেন শেফরা

জানেন কীভাবে তৈরি হল এই সুদীর্ঘ পিজ্জা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৭, ০৯:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০১৭, ০৯:২১

options
link
১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পিজ্জা বানিয়ে গিনেসবুকে নাম তুললেন শেফরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নানা ধরনের সুস্বাদু খাবার বানিয়ে বরাবরই ভোজন রসিকদের মন জয় করতে পটু শেফরা। নতুন নতুন সুস্বাদু খাবারের টানেই রেস্তরাঁয় ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোই শেফদের একমাত্র লক্ষ্য। তবে এবার নিজেদের মুখে হাসি ফোটাতে দারুণ এক কীর্তি করলেন তাঁরা। একশোরও বেশি শেফ মিলে সুদীর্ঘ একটি পিজ্জা তৈরি করে গিনেসবুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলে ফেললেন তাঁরা। এই পিজ্জা দেখে যেমন অবাক হবেন, এর স্বাদও ততটাই লোভনীয়।

3f91ea2d-3cf6-4d7d-b147-9c3aeb7e63ee

Advertisement

ক্যালিফোর্নিয়ার পেশাদার শেফরা বানিয়ে ফেলেছেন ১৯৩০.৩৯ মিটার লম্বা আস্ত একটি পিজ্জা। অর্থাৎ পিজ্জার পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকলে আপনি হাঁফিয়ে উঠলেও পিজ্জা শেষ হবে না। ১.৯ কিলোমিটার হাঁটলে খোঁজ মিলবে পিজ্জার অপর প্রান্তের। জানেন, দীর্ঘ এই পিজ্জা বানাতে কী কী ব্যবহার করা হয়েছে? ৩ হাজার ৬৩২ কেজি ময়দা, ১হাজার ৬৩৪ কেজি চিজ এবং ২ হাজার ৫৪২ কেজি সস দিয়ে তৈরি হয়েছে পিজ্জাটি। এত লম্বা পিজ্জা তৈরি তো আর মুখের কথা নয়। কীভাবে পিজ্জাটি হবে না হবে, সেসব পরিকল্পনাও আগে থেকেই সেরে রেখেছিলেন শেফরা। ময়দার তালকে পিজ্জার আকার দিয়ে একটি লম্বা কনভেয়র বেল্টের উপর রাখা হয়। তারপর তিনটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওভেনের মাধ্যমে টানা আট ঘণ্টা ধরে রান্না করা হয়। কোনওভাবে যেন পিজ্জা জ্বলে না যায়, সে খেয়ালও রাখতে হচ্ছিল বারবার। তার জন্য প্রতি ১৭ মিনিট অন্তর ওভেন পালটে দেওয়া হচ্ছিল। তাই এর স্বাদ যে একেবারেই মন্দ হবে না, তা আন্দাজ করা যেতেই পারে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[রাতের অন্ধকারে কোন আতঙ্ক গ্রাস করে এই হাইওয়েকে?]

এর আগে ১৮৫৩.৮৮ মিটার লম্বা পিজ্জা বানিয়ে তাক লাগিয়ে ছিল ইটালি। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দিল আমেরিকা। জানেন, গিনেস বুকে নাম তোলার পর কোথায় গেল পিজ্জাটি? খাবার জিনিস মিউজিয়ামে রেখে তো বিশেষ লাভ হত না! তাই এর স্বাদ থেকে কাউকে বঞ্চিত করা হয়নি। স্থানীয় খাবারের দোকানে দেওয়া হয় খানিকটা পিজ্জা। আর বাকিটা বিলিয়ে দেওয়া হয় ঘরছাড়া গরিব মানুষদের মধ্যে।

[সিকিম সীমান্তে চিনা সেনার অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখে দিল ভারতীয় সেনা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.