সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ইরান ও ইটালিতে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে করোনা ভাইরাস। ইরানে চিকিৎসকদের তরফে প্রকাশিত এক তালিকা মতে সে দেশে ২৫০ জনের বেশি ভারতীয় করোনায় আক্রান্ত।
[আরও পড়ুন: করোনা রুখতে সৌদি আরবের রাজকুমারকে ফোন প্রধানমন্ত্রীর, পাশে থাকার বার্তা মোদির]
জানা গিয়েছে, লাদাখের কারগিল থেকে ৮০০ জনের একটি প্রতিনিধি দল ইরানে গিয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারি থেকে সেখানেই আটকে রয়েছেন সেই দলের সদস্যরা। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই বিভিন্ন হোটেলে আছেন। আবার অনেকেই আছেন ইরানে করোনার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত কোমে। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুনে থেকে একদল চিকিত্সককে ইরান পাঠিয়েছে ভারত সরকার। সেখানে উপস্থিত ভারতীয়দের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষার জন্য তাঁদের পাঠানো হয়েছে। সেই চিকিৎশোকদেরতালিকাতেই দেওয়া হয়েছে যে ২৫৪ জন ভারতীয়ের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। কারগিলের আইনজীবী হাজি মুস্তাফা জানিয়েছেন, ইরানে আক্রান্ত ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর আত্মীয়রাও রয়েছেন। আধিকারিকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে, তাঁদের আইসোলেশনের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ইরানে আটকে পড়া ২০০ জনের বেশি ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সরকার। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই জম্মু-কাশ্মীরের ছাত্রছাত্রী, যাঁরা ইরানের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। ইরানে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯৮৮ জন মানুষের। আক্রান্ত ১৬ হাজার। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ইরান থেকে ২৩৪ জনকে উদ্ধার করে দেশে ফেরানো হয়েছে। করোনায় চিনের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটালি ও ইরানে। মারণ ভাইরাসের হামলায় সে দেশের সুপ্রিম লিডার আয়াতল্লাহ আলি খামেনেইর এক উপদেষ্টার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু অপ্রতুল চিকিৎসা পরিকাঠামো ও সচেতনতার অভাবে কিছুতেই করোনার হানা থামাতে পারছে না ইরান।
[আরও পড়ুন: থামছে না করোনার মৃত্যুমিছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি বর্ণনা করে লকডাউন ফ্রান্সে]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন