Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
UNHRC

রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পুনর্নির্বাচিত হিন্দু-শিখ নিপীড়নে অভিযুক্ত পাকিস্তান

স্বৈরাচারী' চিন ও রাশিয়ার নির্বাচনে প্রবল ক্ষুব্ধ আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২০, ১৮:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২০, ১৮:১২

options
link
রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পুনর্নির্বাচিত হিন্দু-শিখ নিপীড়নে অভিযুক্ত পাকিস্তান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে (UNHRC) পুনর্নির্বাচিত পাকিস্তান। হিন্দু, শিখ ও বালোচদের গণহত্যায় জড়িত দেশটি এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে মানবাধিকার রক্ষায় সওয়াল করবে!

[আরও পড়ুন: ‘বেআইনিভাবে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করেছে ভারত’, ফের প্ররোচনা চিনের]

বর্তমানে মানবাধিকার পরিষদের সদস্য ৪৭টি দেশ। এর মধ্যে ১৫টি পদের জন্য স্থানীয় সময়ে মঙ্গলবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা। নির্বাচিত দেশগুলি ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে তিন বছরের জন্য UNHRC-র সদস্য থাকবে। এদিনের নির্বাচনে পাকিস্তান (Pakistan) ছাড়াও নেপাল, চিন ও রাশিয়া মানবাধিকার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। তবে এযাত্রায় সৌদি আরবের পরিষদের সদস্য হওয়ার স্বপ্ন অধরাই রইল। এর আগে ২০১৯ সাল পর্যন্ত মানবাধিকার পরিষদের সদস্য ছিল রিয়াধ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১৯৭ সদস্যের সাধারণ সভায় গোপন ব্যালট পদ্ধতিতে ১৬৯ ভোটে সদস্য নির্বাচিত হয় পাকিস্তান। নেপাল ১৫০ সদস্যের সমর্থন পায়। সেই তুলনায় কমই ভোট দেন চিনের পক্ষে, ১৩৯ জন। উজবেকিস্তানের পক্ষে ১৬৪টি ভোট পড়ে। কমপক্ষে ৯৭ সদস্যের ভোট পেলে তবেই সদস্য নির্বাচিত হওয়া যায়। তাই ৯০ সদস্যের ভোট পেয়ে সদস্যপদ পেতে ব্যর্থ হয় সৌদি আরব।

এদিকে, ‘স্বৈরাচারী’ চিন (China) ও রাশিয়ার (Russia) নির্বাচনে প্রবল ক্ষুব্ধ আমেরিকা। রাষ্ট্রসংঘের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, বেজিং ও মস্কোর মতো ‘অথরিটারিয়ান’ দেশকে মানবাধিকার পরিষদে জায়গা দেওয়া উচিত হয়নি। তিনি আরও বলেন, “এই পদক্ষেপ করেই রাষ্ট্রসংঘ প্রমাণ করে দিল UNHRC থেকে আমেরিকার বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।”

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে হিন্দু, শিখ ও খ্রিস্টা তরুণীদের অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যা ও ধর্মান্তকরণের মতো ঘটনা প্রায় রোজই ঘটছে। বালোচিস্তানে পাক সেনার হত্যালীলা বিশ্বের কাছে অজানা নয়। সে দেশে সাংবাদিকদের অপহরণ ও হত্যাও জলভাত। তবুও মানবাধিকার পরিষদে ফের ইসলামাবাদের নির্বাচন UNHRC’র উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের গণহত্যা করার অভিযোগ রয়েছে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে। এছাড়াও, হংকংয়ে গণতন্ত্রকামীদের উপর চিনা প্রশাসনের অত্যাচার ও মানবধিকার লঙ্ঘন বিশ্বের অজানা নয়। বিশেষ করে, হংকং সংক্রান্ত বেজিংয়ের নয়া জাতীয় নিরাপত্তা আইন যে মানবাধিকারের পরিপন্থী তা নিয়ে কোনও দ্বিমত নেই। একইভাবে চেচেন বিদ্রোহীদের দমন ও ক্রিমিয়ায় রুশ সেনার দমননীতি নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। সব মিলিয়ে মানবাধিকার পরিষদের সদস্য পদ নিয়ে এবার শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।

[আরও পড়ুন: মুখ থুবড়ে পড়ল গবেষণা! ৪৮ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত মার্কিন যুবক]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.