Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কাশ্মীর ইস্যুতে ফের ধাক্কা পাকিস্তানের, হস্তক্ষেপ করতে নারাজ রাষ্ট্রসংঘ

আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমধনের নিদান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১১:১৯

options
link
কাশ্মীর ইস্যুতে ফের ধাক্কা পাকিস্তানের, হস্তক্ষেপ করতে নারাজ রাষ্ট্রসংঘ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য ডাক দিলেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। মঙ্গলবার গুতেরেস বলেছেন, কাশ্মীর-সহ যাবতীয় সমস্যা নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসে মিটিয়ে নিক ভারত ও পাকিস্তান।

[আরও পড়ুন: আচমকা ভোলবদল, যুদ্ধ নয় আলোচনা চাইছে পাকিস্তান]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু তাই নয়, কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতার প্রস্তাবও খারিজ করে দিয়েছে মহাসচিবের অফিস। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর থেকে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এবং বিবাদ তীব্র আকার নিয়েছে। এই বিবাদে যে কোনও সময় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আন্তর্জাতিক মহল। এই প্রসঙ্গে মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফানি দুজারিক বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে উত্তেজনা কমানোর সময় মানবাধিকারকে পূর্ণ সম্মান দিতে হবে। কিছুদিন আগে ফ্রান্সে জি-৭ শীর্ষ বৈঠকের এক ফাঁকে গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশির সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রতিনিধি মালিহা লোধির সঙ্গেও কথা বলেছেন মহাসচিব। সকলকেই মহাসচিব বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে যেভাবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, তাতে তিনি উদ্বিগ্ন। আলোচনার মাধ্যমেই দুই দেশের বিতর্ক মিটিয়ে নেওয়া উচিত।

মহাসচিবের মুখপাত্রকে জিজ্ঞাসা করা হয়, গুতেরেস কি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করবেন? মুখপাত্র বলেন, ‘আপনারা জানেন, এ ব্যাপারে আমরা সবসময় স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে চলছি। ভারত ও পাকিস্তান, দুই দেশ যদি চায়, তবেই তিনি মধ্যস্থতা করতে তৈরি।’ ভারত অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছে, কাশ্মীর তার অভ্যন্তরীণ বিষয়। এখানে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রশ্নই ওঠে না। ভারতের তরফে আন্তর্জাতিক মহলকে জানিয়ে দেওয়া হয়, সংবিধানে কোনও ধারা থাকবে কি থাকবে না তা আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অন্যদিকে পাকিস্তান জানায়, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করার বিরুদ্ধে তারা আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলবে।

ভারতীয় কূটনীতিকরা মনে করছেন, পাকিস্তান নিয়ম করে যতই চেঁচাক। ভারত না চাইলে রাষ্ট্রসংঘ বা বিশ্বের কোনও দেশই কাশ্মীরে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। তা করতে গেলে নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব পাস করাতে হবে ভারতের বিরুদ্ধে। কিন্তু সেখানে রাশিয়া, আমেরিকা, ফ্রান্স এই তিনটি দেশের যে কোনও একটি দেশ ভারতের হয়ে ভেটো দিলেই কাশ্মীর নিয়ে আনা ভারত বিরোধী যে কোনও প্রস্তাব খারিজ হয়ে যাবে। ফলে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবের এদিনের বক্তব্য রাষ্ট্রসংঘের পুরনো অবস্থানেরই প্রতিফলন। অর্থাৎ গত কয়েকদিন ধরে একতরফা কাশ্মীর নিয়ে চেঁচিয়ে কোনও লাভ হল না পাকিস্তানের।

[আরও পড়ুন: হালে পানি না পেয়ে এবার কাশ্মীর নিয়ে ‘জলসা’র ডাক ইমরানের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.