Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Daniel Pearl

মার্কিন চাপে সুরবদল, ড্যানিয়েল পার্লের হত্যাকারীদের মুক্তি দিচ্ছে না পাকিস্তান

দোষীদের মুক্তির সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছিলেন ড্যানিয়েল পার্লের বাবা জুডেয়া পার্ল ও মা রুথ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২০, ১৪:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০২০, ১৪:৩৩

options
link
মার্কিন চাপে সুরবদল, ড্যানিয়েল পার্লের হত্যাকারীদের মুক্তি দিচ্ছে না পাকিস্তান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল (Daniel Pearl) হত্যায় দোষীদের আপাতত মুক্তি দিচ্ছে না পাকিস্তান। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিন্ধ প্রদেশের সরকার। তবে বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকার তীব্র আপত্তিতে চাপের মুখে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে ইসলামাবাদ।

[আরও পড়ুন: চাপে পড়ে পিছু হঠলেন ট্রাম্প, সই করলেন কোভিড মোকাবিলা সংক্রান্ত বিশেষ বিলে]

পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নির্দেশ মেনেই ওমর সঈদ শেখ, ফাহাদ নাসিম, শেখ আদিল ও সলমন সাকিবকে এখনই মুক্তি দেওয়া হবে না। গত ২৮ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত এই জঙ্গিদের মুক্তি দেওয়া যাবে না। সেই শুনানি এখনও বাকি আছে। তার আগেই ২৪ ডিসেম্বর সিন্ধ প্রদেশের আদালত আল কায়েদা নেতা আহমেদ ওমর সঈদ শেখ ও তার তিন সঙ্গীকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যা নিয়ে শুরু হয় প্রবল বিতর্ক। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আমেরিকা। শুধু তাই নয়, এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করেছিলেন ড্যানিয়েল পার্লের বাবা জুডেয়া পার্ল ও মা রুথ। সংবাদমধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাঁরা পাক সুপ্রিম কোর্টের কাছে ন্যায়বিচারের আরজি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, পাকিস্তানের মানুষ এহেন অনাচার ও আইনের অপব্যবহার মেনে নেবে না।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে পাকিস্তানে (Pakistan) এসেছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল। আইএসআই ও আল কায়দার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে তদন্ত করছিলেন তিনি। এরপরই তাঁকে অপহরণ করে ওমর। এরপর তাঁর মাথা কেটে তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করে সে। এর আগে ১৯৯৪ সালে চারজন বিদেশি পর্যটককে অপহরণ করে ওমর। তখন সে কাশ্মীরে ছিল। বিচারে সাজা হয় তার। গাজিয়াবাদ-সহ দেশের বিভিন্ন জেলে থাকতে হয়েছে তাকে। পরে ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণের সময় তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় নয়াদিল্লি। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের জেলে থাকার সময় ২০১৪ সালে সে নাকি আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল‌, এমনটা শোনা যায়।

[আরও পড়ুন: মেয়ের পর বাবা, এবার করোনার ভ্যাকসিন নিতে চলেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন!]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.