সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার একসঙ্গে কাজ করতে চলেছে বিশ্বের অন্যতম সেরা তিন শক্তিধর দেশ। আমেরিকা-জাপান এবং ভারতের মধ্যেকার প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শেষে একথা ঘোষণা করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গে এই তিন দেশের নয়া সম্পর্কের নামকরণও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, এবার ‘JAI’-ই বয়ে আনবে শান্তির বার্তা।
#WATCH PM Narendra Modi on meeting US President Trump and Japan PM Shinzo Abe says ‘Both countries are our strategic partners and both leaders are my good friends. Japan, USA, India acronym is JAI, so Jai in India means success. This sends a good message.’ #G20 #Argentina pic.twitter.com/VhHPVXd1dB
Advertisement— ANI (@ANI) November 30, 2018
[দক্ষিণ চিন সাগরে মার্কিন রণতরী, পালটা নৌবহর পাঠাল বেজিং]
সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চলছিল নরমে-গরমে। সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে পেলেও শুল্ক ও ইরান থেকে তেল আমদানি নিয়ে চাপানউতোর চলছিল দু’দেশের মধ্যে। তাই জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বৈঠক বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর এই বৈঠকে ভারত পাশে পেয়েছিল ‘বন্ধু দেশ’ জাপানকেও। তিন দেশের মধ্যে এটিই ছিল প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। আর বৈঠক শেষে মোদি ঘোষণা করলেন, ‘একসঙ্গে কাজ করলে অনেক দূর যাওয়ার ক্ষমতা রাখে এই নতুন বন্ধুত্ব।’ তিনি বলেন, “একদিক থেকে দেখতে গেলে যদি আমরা জাপান, আমেরিকা এবং ইন্ডিয়াকে পাশাপাশি বসায় তাহলে সংক্ষেপে তাঁর অর্থ দাঁড়ায় ‘JAI’, হিন্দুতে ‘JAI’ কথাটির অর্থ সাফল্য। আমরা নতুন করে এই বন্ধুত্ব শুরু করতে চাই। আমার বিশ্বাস আমাদের একসঙ্গে আসা, গোটা বিশ্বকে শান্তি এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।” একই সঙ্গে এদিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের উদ্দেশ্যে বন্ধুত্বের বার্তাও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,” আমি আমেরিকা এবং জাপানকে ভারতের কৌশলগত সঙ্গী হিসেবে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। দুই দেশের দুই নেতাই আমার খুব ভাল বন্ধু। এটা আরও একবার একসঙ্গে কাজ করার ভাল সুযোগ।”
[খাশোগ্গি হত্যায় ‘লিপ্ত’ সৌদি যুবরাজের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির]
তিন দেশের এই বৈঠককে বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এশিয়ার দুই অন্যতম শক্তিধর দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই নয়া সখ্যতা চিনকে চাপে রাখবে বলেই মত কূটনীতিবিদদের। এদিনের বৈঠক শেষে বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে বলেন, “ট্রাম্প এবং আবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সাম্প্রতিক আর্থিক সংস্কার এবং পরিবর্তনের জন্য শুভেচ্ছা জানান। খুব বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক হয়েছে, তিন দেশের রাষ্ট্রনেতারাই মনে করছেন, এই বৈঠকের ফলে ত্রিপাক্ষিক সম্পর্কে সুদূরপ্রসারী সাফল্য আসবে।”