সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই সময়টায় দেখবেন, সন্ধে নামলেই চারপাশটা কেমন একটা নিঝুম হয়ে আসে! বাতাসে কী যেন একটা ভেসে বেড়ায় হিমের সঙ্গে। মনে হয়, এই তাকে হাত বাড়ালেই ছোঁওয়া যাবে। কিন্তু, হাত বাড়ালেও মুঠো একলাই থেকে যায়। তাকে দেখাও যায় না, ছোঁওয়া তো দূর অস্ত! সে কি একাকিত্ব? না কি শীত জাঁকিয়ে বসার আগে মন কেমন-কেমন খেলা?

ভারতের মতো উষ্ণ দেশেও যদি এই অবস্থা হয়, তবে বিদেশের কথা একবার ভেবে দেখুন তো! পৃথিবীর বেশির ভাগ জায়গাতেই এখন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। ঝুপঝুপ করে ঝরে পড়ছে বরফ আর তার সঙ্গে নিঃসঙ্গতাও। যাঁরা একা, এই সময়টা সত্যিই তাঁদের পক্ষে বড় মুশকিলের! চারদিকে আলো, চারদিকে হাসি আর একার ঘরে কেবল শ্বাস- দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর!

এই যাঁরা একা এবং একলা, তাঁদের জন্য এবার বড়দিনের এক দুষ্টুমিভরা উপহার নিয়ে এল বিখ্যাত পর্নোগ্রাফি সংস্থা পর্নহাব। উপহারটা কী, সেটা একটা ভিডিওর মধ্যে খুব সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে সংস্থা। নীল ছবির মতো সেই ভিডিওরও শুরুতে দেখা যাচ্ছে বরফমোড়া নীল ছবি। নীল এক শহর। বড়দিনের ঠিক আগের রাত। একে একে দেখা যায় ঘরের শার্সি নামানো নিস্তব্ধ রাতে কিছু একা মানুষকে। সবাই মনমরা। আচমকাই জানলার দিকে তাকিয়ে থাকা একটি ছেলে দেখতে পায়- তার ঘরের দেওয়ালে সরে গেল একটা ছায়া! মনে হল, হরিণজোতা স্লেজ গাড়িতে করে যেন শহরের উপর দিয়ে চলে গেল সান্তা ক্লজ। আর, তার সঙ্গে সঙ্গে কমপিউটারের আলো জ্বলে উঠতে লাগল ওই একাদের ঘরে। সেখানে ফুটে উঠেছে পর্নহাবের নাম। তারা তুলে দিচ্ছে উপহার। সেই উপহার কী, সেটা দেখে নিন ভিডিওয় ক্লিক করে।

আর হ্যাঁ, সবার শেষে শুভেচ্ছা জানাতেও ভোলেনি সংস্থা। লিখে দিয়েছে খোশ বড়দিনের মেজাজ নিয়ে- “হ্যাভ ইয়োরসেল্ফ আ হর্নি লিটল খ্রিস্টমাস”! এখন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করবেন কি না, সেটা একান্তই আপনার মর্জি!