সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবাক লাগছে কি? তা, ছিন্নমস্তাও নিজেই নিজের রক্তপান করেছিলেন না?
আপনি বলতেই পারেন, তিনি হলেন দেবী! তাঁর সঙ্গে কি আর মানুষের তুলনা চলে! কিন্তু ব্যাপার হল, অস্ট্রেলিয়ার এই জর্জিনা কন্ডনও নিজেকে দেবী বলে দাবি করে থাকেন! যখন তিনি থাকেন তাঁর দৈবী সত্বায়, তখন তাঁর নাম এসথার! গডেস এসথার! যিনি নবজীবনের দেবী!
জর্জিনা কন্ডনের এই নিজেই নিজের রক্তপানের সঙ্গে কিন্তু নতুন জীবন লাভের একটা যোগাযোগ রয়েছে। নিজেই জানিয়েছেন জর্জিনা, খুব ছোটবেলা থেকেই তিনি রক্তাল্পতায় ভোগেন! ফলে, নিজের রক্ত পান করে মানসিক শান্তি পান তিনি।
জর্জিনা জানিয়েছেন, একেবারে তরুণী বয়স থেকেই তিনি নিজের রক্ত পান করে চলেছেন। এখন তাঁর বয়স হল ৩৯ বছর। এখনও এই নিয়মের মধ্যেই রয়েছেন তিনি। তবে সব সময় যে ব্যাপারটা সূচ দিয়ে শিরা থেকে রক্ত তুলে নেওয়ার মতো সহজ পথে চলে, তা নয়! মাঝেমধ্যেই রক্ত পান করার জন্য নিজেকে আহত করে থাকেন জর্জিনা। আসলে, তিনি তো রক্তাল্পতার রোগী। তাই, সব সময় শিরা থেকে রক্ত পাওয়া যায় না!
তাহলে কি জর্জিনা কন্ডনকে আধুনিক এই যুগের ভ্যাম্পায়ার গোত্রভুক্ত করা উচিত?
এই হিসেবের ছকে জর্জিনাকে ফেলা যাবে না। কেন না, গডেস এসথার হয়ে জর্জিনা যখন গথিক আন্ডারগ্রাউন্ড ক্লাবে যান, তখন অনেকেই না কি তাঁকে নিজেদের রক্ত উৎসর্গ করতে চেয়েছে। জর্জিনা নিজেই জানিয়েছেন সেই কথা। কিন্তু, তিনি আজ পর্যন্ত অন্য কারও রক্ত পান করেননি! তাঁর যা কিছু, সব নিজের রক্ত নিয়েই!
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন