সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত চাকমা নেতা তপনজ্যোতি চাকমা ও তাঁর পাঁচ সহকর্মী। আহত হয়েছেন সাতজন। শুক্রবার, পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নেতার কনভয়ে হামলা চালায় সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তিনজনের।
[তৃণমূল না বিজেপি, কাকে সমর্থন তা নিয়ে পশ্চিম বর্ধমানে ধর্মসঙ্কটে বামেরা]
এই ঘটনার একদিন আগে, বৃহস্পতিবার খুন হন দলের নেতা শক্তিমান চাকমা। এদিন নিহত নেতার শেষকৃত্যে যাচ্ছিলেন তপনজ্যোতি চাকমা ও দলের সদস্যরা। একটি বাসে করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। নানিয়ারচরের বেতছড়ি এলাকায় বাসটি পৌঁছাতেই গুলিবৃষ্টি শুরু করে হামলাকারীরা। চালকের গায়ে গুলি লাগায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উলটে যায় যানটি। তারপর আহতদের ঘিরে ধরে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেয় দুর্বৃত্তরা। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপনজ্যোতি চাকমা। নিহত অন্য চারজন হলেন- সেতুলাল চাকমা (৪০), কনক চাকমা (৩৮), সুজন চাকমা (৩০) ও বাস চালক সজীব (৩৪)। হামলায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আহতরা।
নানিয়ারচরের ওসি আবদুল লতিফ জানান, হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী। আহতদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হামলাকারীদের পাকড়াও করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে গঠিত জনসংহতি সমিতি এমএন-লারমার প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ছিলেন। এই ঘটনায় তীব্র শোরগোল শুরু হয়েছে বাংলাদেশে।
[তৃণমূল-বিজেপি সেয়ানে সেয়ানে টক্কর, দেওয়াল লিখনে ছড়ার ছড়াছড়ি]