Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
করোনা ভাইরাস

সংকটজনক করোনা রোগীর প্রাণও বাঁচাতে পারে এই ওষুধ, আশার কথা শোনাল WHO

ভারতের বাজারে একেবারে জলের ধরে পাওয়া যায় এই ওষুধ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০, ০৮:৫৭

options
link
সংকটজনক করোনা রোগীর প্রাণও বাঁচাতে পারে এই ওষুধ, আশার কথা শোনাল WHO zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে করোনা সংকটের মধ্যেই আশার কথা শোনাল WHO। অবশেষে করোনায় মৃত্যু কমাতে জীবনদায়ী ওষুধের সন্ধান পাওয়া গেল। স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহারের ফলে নাকি সংকটাপন্ন করোনা রোগীদেরও প্রাণে বাঁচানো যাবে। আরও ভাল করে বলতে গেলে, কর্টিকোস্টেরয়েড জাতীয় ওষুধের প্রয়োগে করোনায় মৃত্যুর সম্ভাবনা নাকি ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে। অন্তত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নতুন গাইডলাইনে এমনটাই দাবি করেছে।

Dexamethasone

Advertisement

সংকটজনক কোভিড রোগীকে বাঁচাতে সস্তার ডেক্সামেথাজোনই ব্রহ্মাস্ত্র হয়ে উঠেছে। সাইটোকাইন ঝড় থামিয়ে এই ম্যাজিক ড্রাগই যমের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনছে ‘ক্রিটিক্যাল’ কোভিড রোগীকে। সম্প্রতি, এমনটাই দাবি করেছেন ব্রিটেনের একদল গবেষক। তাঁদের দাবি, ওষুধটি মৃত্যুর হার এক তৃতীয়াংশ কমিয়ে দিয়েছে। তবে এই ওষুধের ভুল প্রয়োগে বিপদ আসতে পারে বলেও জানান গবেষকরা। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক সম্প্রতি এই ট্রায়ালটি করেছেন। তাঁদের সেই ট্রায়ালেই কার্যত শিলমোহর দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। WHO বলছে, তিন রকমের কর্টিকোস্টেরয়েড নিয়ে গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, এগুলি আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি করছে। এমনকী মৃত্যুর ঝুঁকি পর্যন্ত কমিয়ে দিচ্ছে। ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা সংকটজনক করোনা রোগীদের উপর হাইড্রোকর্টিজোন, ডেক্সামেথাজোন (Dexamethasone) এবং মিথাইলপ্রেডনিজোলোনের মতো কর্টিকোস্টেরয়েডের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য সাফল্য এনেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

dexamethasone

[আরও পড়ুন: করোনার ভ্যাকসিন তৈরিতে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ WHO’র নেতৃত্ব মানতে নারাজ আমেরিকা]

WHO’র ট্রায়াল বিভাগের প্রধান জ্যানেট ডিয়াজ বলেছেন, “৬৮ শতাংশ কোভিড রোগী কর্টিকোস্টেরয়েডের থেরাপিতে সুস্থ হয়েছেন। তথ্য বলছে এই ওষুধ প্রয়োগের ফলে প্রতি ১০০০ জন সংকটাপন্ন রোগীর মধ্যে ৮৭ জনের প্রাণ বেঁচে গিয়েছে। সুতরাং সংকটজনক রোগীদের মধ্যে এই ওষুধের প্রয়োগ হতেই পারে।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই নির্দেশিকা করোনা চিকিৎসায় নতুন দিশা দিতে পারে। কারণ, যে স্টেরয়েডের কথা বলা হচ্ছে, তা অত্যন্ত সস্তায় বাজারে পাওয়া যায় এবং তা সুপ্রতুল। যেমন, ভারতের বাজারে মাত্র ২০ টাকাতেও ডেক্সামেথাজোন কিনতে পাওয়া যায়। সুতরাং, এই ওষুধ যদি সত্যিই কার্যকরী হয়, তাহলে হয়তো অনেক কম খরচেই করোনা রোগীর প্রাণ বাঁচানো যাবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.