Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Gaza

আশঙ্কাই সত্যি, দুর্ভিক্ষের কবলে গাজা! ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের, মানছে না ইজরায়েল

দু’মুঠো খাবারই যেন স্বপ্ন মৃত্যুপুরী গাজায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৮:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২২, ২০২৫, ১৮:১৫

options
link
আশঙ্কাই সত্যি, দুর্ভিক্ষের কবলে গাজা! ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের, মানছে না ইজরায়েল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই। দু’মুঠো খাবারই যেন স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছিল গাজার অসংখ্য মানুষের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে খাদ্য ও পুষ্টির মানের নিরিখে সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ের সম্মুখীন হয়েছিল গাজা। অবশেষে রাষ্ট্রসংঘ সরকারি ভাবে ঘোষণা করল মৃত্যুপুরী গাজা দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ ইজরায়েল।

শুক্রবার গাজার এই ঘোষণার পরই পশ্চিম এশিয়া প্রথমবার দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রায় ৫ লক্ষ মানুষ অনাহারে বাস করছেন সেখানে। রাষ্ট্রসংঘের প্রধান টম ফ্লেচারের দাবি, এই দুর্ভিক্ষ সম্পূর্ণ ভাবেই আটকে দেওয়া যেত। কিন্তু ইজরায়েল ইচ্ছাকৃত ভাবে সেখানে ত্রাণ পৌঁছনো বন্ধ করে দিয়ে সেখানে খাবারের জোগান একেবারে শূন্যে নিয়ে যায়। আর তাতেই এই পরিস্থিতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের পরিষ্কার দাবি, গাজায় কোনও দুর্ভিক্ষ হয়নি। যে বিবৃতি পেশ করা হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে হামাসের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যের উপর নির্ভর করে এই দাবি করা করা হচ্ছে।

২০২৩ সাল থেকে ইজরায়েল ও হামাসের নয়া সংঘাতের শুরুয়াৎ। এরপর থেকে অন্তত ৬০ হাজার প্যালেস্তিনীয়র মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি। পাশাপাশি আগেই জানা গিয়েছিল, গাজায় ৪ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ ক্ষুধার্থ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৭১ হাজার! গত ২ মার্চ থেকে খাবার, ওষুধ, জ্বালানি-সহ মানবিক সাহায্য গাজা ভূখণ্ডে পৌঁছনো বন্ধ করে দিয়েছিল। পরে ত্রাণে সম্মতি দেওয়া হলেও ইজরায়েলি সেনার গুলিতে ত্রাণ নিতে আসা অসংখ্য মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে গাজার পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি এই পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। গাজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে গাজা মৃত্যু এবং ধ্বংসের এমন এক স্তরে রয়েছে, যার তুলনা নেই।” এবার জানা গেল, আর দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি নয়, এবার একেবারে দুর্ভিক্ষের গ্রাসে গাজা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.