সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরের পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। বিশ্বের দুই পারমাণবিক মহাশক্তি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চিন এগিয়ে চলেছে প্রবল সংঘাতের দিকে! শুক্রবার, মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানায়, যে একটি চিনা জঙ্গিবিমান “বিপজ্জনকভাবে” একটি মার্কিন টহলদার বিমানের কাছাকাছি চলে আসে।
(একসঙ্গে ১০টি পরমাণু বোমা বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল চিন)
মার্কিন প্যাসিফিক কমান্ডের মুখপাত্র রবার্ট শুফোর্ড জানান, চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএ-এর একটি KJ-200 জঙ্গিবিমান, দক্ষিণ চিন সাগরের উপর আন্তর্জাতিক বায়ুসীমায় টহলরত, মার্কিন নৌসেনার P-3C বিমানের খুব কাছাকাছি চলে আসে। তবে এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি বেজিং।
(আমেরিকা-চিনের যুদ্ধ হলে জড়াবে আরও ৬ দেশ!)
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ ও তাইওয়ানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের নতুন করে হৃদ্যতা তৈরি হওয়ায় আমেরিকার উপর বেজায় চটেছে বেজিং৷ ভারতের সঙ্গে জাপানের যৌথ সামরিক অভিযানও মেনে নিতে পারছে না চিন৷ রুশ সীমান্তেও একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে রেখেছে বেজিং৷ রুশ মিডিয়ার দাবি, ওই ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানায় রয়েছে ওয়াশিংটন৷ দ্রুতই ট্রাম্পের সঙ্গে চিন সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা৷ সেক্ষেত্রে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অভূতপূর্ব সামরিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা৷ এরকম পরিস্থিতি তৈরি হলে ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে এই যুদ্ধ অতীতের দুটি বিশ্বযুদ্ধকেও বহু গুণে ছাপিয়ে যাবে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে৷