Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Taiwan

নজরে চিন, তাইওয়ানকে ২৫০ কোটির হারপুন মিসাইল দিচ্ছে আমেরিকা

গত সপ্তাহেই ১০০ কোটির মিসাইল কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় আমেরিকার সঙ্গে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৫:২৯

options
link
নজরে চিন, তাইওয়ানকে ২৫০ কোটির হারপুন মিসাইল দিচ্ছে আমেরিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের উপর চাপ বাড়িয়ে তাইওয়ানকে (Tiwan) মিসাইল দিচ্ছে আমেরিকা।  ১০০টি হারপুন ক্ষেপণাস্ত্র বা কোস্টাল ডিফেন্স সিস্টেম বিক্রির সিদ্ধান্তে সোমবার সিলমোহর দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। এই অস্ত্র চুক্তি যে চিনের উপর চাপ বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তাইওয়ান-চিনের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন তুঙ্গে। মাঝেমধ্যেই তাইওয়ানের আকাশে চক্কর দিচ্ছে চিনা কপ্টার ও যুদ্ধবিমান। লাগাতার হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে তাইওয়ানকে। এমন পরিস্থিতিতে দ্বীপরাষ্ট্রটি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অস্ত্র কিনছে। গত সপ্তাহেই ১০০ কোটির মিসাইল কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় আমেরিকার সঙ্গে। এরপর আবার হারপুন ডিফেন্স সিস্টেম (Harpoon Missiles) কিনছে তাইওয়ান। যার আর্থিক মূল্য ২.৪ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মূল্যে যার দাম প্রায় আড়াই শো কোটি টাকা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : পাকিস্তানের মাদ্রাসায় কোরানের ক্লাস চলাকালীন ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত চার শিশু-সহ ৭]

জানা গিয়েছে, এই ১০০ হারপুন ডিফেন্স সিস্টেমে রয়েছে ভূমি থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় এমন ৪০০টি হারপুন মিসাইল। যার পাল্লা ৭৫ মাইল বা ১২৫ কিলোমিটার। এগুলি মিসাইল লঞ্চ প্ল্যাটফর্ম ছাড়া ট্রাকের উপর থেকেও সহজে উৎক্ষেপণ করা যায়। মিসাইলগুলি তৈরি করছে বোয়িং সংস্থা। এই বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পর্কে আমেরিকা জানিয়েছে, “এই ডিফেন্স সিস্টেম ক্রেতার নিরাপত্তা বাড়াতে ও রাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগস্টের ১০ তারিখ চিনের আপত্তি উড়িয়ে তাইওয়ান সফরে গিয়েছিলেন মার্কিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যালেক্স আজার। তাইপে গিয়ে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গণতান্ত্রিক তাইওয়ানের প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের জোরালো সমর্থন রয়েছে বলে জানান।  সফরের পরে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল বেজিং। ক্রমাগত তাইওয়ানকে সমর্থন ও অস্ত্র সাহায্য নিয়ে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল চিন। তাঁরা অভিযোগ করেছিল, আমেরিকা বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলিকে মদত দিচ্ছে বলেও অভিযোগ জানিয়েছিল। এবার সেই অসন্তোষ আরও বাড়বে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

[আরও পড়ুন : অপেক্ষার অবসান! ২ নভেম্বরই চালু হতে পারে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন, দাবি গবেষকদের]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.