Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মার্কিন সহায়তায় অভেদ্য বর্মে ঢাকা পড়ছে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বিমান

ভারতের হাতে উঠছে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী নয়া প্রযুক্তি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯, ১৩:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৯, ১৩:৫৬

options
link
মার্কিন সহায়তায় অভেদ্য বর্মে ঢাকা পড়ছে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির বিমান zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সরকারি বিমানকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী সুরক্ষা বর্ম দিতে উদ্যোগী হল আমেরিকা। শীঘ্রই ভারতের সঙ্গে এই সংক্রান্ত ১৯ কোটি ডলারের (১৩৫৮ কোটি টাকা প্রায়) একটি চুক্তি করতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন৷ যার বিনিময়ে অত্যাধুনিক এবং উন্নততর এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চলেছে কেন্দ্র। ফলে মাঝ আকাশে যে কোনও উচ্চতায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বিমানকে শত্রু দেশ বা কোনও জঙ্গি সংগঠন ক্ষেপণাস্ত্র দেগে ধ্বংস করতে বা উড়িয়ে দিতে পারবে না। ওই বিমানে এমন একটি অদৃশ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে যা জঙ্গিদের রকেট, গুলি, শত্রুদের ক্ষেপণাস্ত্র সবই রুখে দেবে নিমেষের মধ্যে।

[পাকিস্তানে ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা, পুড়িয়ে দেওয়া হল গীতা ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ব্রিটেনের রানি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, রুশ প্রেসিডেন্ট, জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, ফরাসি প্রেসিডেন্টের নিজস্ব বিমানে এই সুরক্ষা কবচ আছে। মার্কিন সামরিক সদর দফতর পেন্টাগন জানিয়েছে, ভারত-মার্কিন কৌশলগত বন্ধুত্ব এবং সামরিক সমঝোতা শক্তিশালী করতেই এই প্রযুক্তি ভারতকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিমানের নাম এয়ারফোর্স ওয়ান। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিমানের নাম এয়ার ইন্ডিয়া ওয়ান। সেটি বোয়িং ৭৭৭ মডেলের। এই বিমানের সুরক্ষার জন্য যে জোড়া প্রযুক্তি দেওয়া হচ্ছে তার অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন কংগ্রেস। প্রযুক্তি দুটির নাম, ‘লার্জ এয়ারক্র‌্যাফ্ট ইনফ্রারেড কাউন্টারমেজার্স’ এবং ‘সেলফ প্রোটেকশন স্যুইটস’। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিমানের জন্য ওই প্রযুক্তি দুটি এক জোড়া করে মোট চারটি কিনছে ভারত সরকার। এদিকে, ভারত ও পাকিস্তানের মতো পরমাণু শক্তিসম্পন্ন যুযুধান দুই দেশের মাঝারি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে এই দুই দেশকে নয়া চুক্তিতে শামিল করার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনই জল্পনা চলছে মার্কিন মুলুকে। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তৃতাতেই এই জল্পনা বেড়েছে।

[৯ মাসের মধুচন্দ্রিমা! বিশ্বভ্রমণের ছবি দিয়ে নেটদুনিয়ায় জনপ্রিয় মার্কিন দম্পতি]

প্রশ্ন উঠেছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প কি রাশিয়ার পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানকেও নতুন এক পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তিতে শামিল করতে চান? সোভিয়েত জমানার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি থেকে সদ্য সরে এসেছে আমেরিকা ও রাশিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বার চান নতুন চুক্তি। শুধু রাশিয়ার সঙ্গে নয়। চিন এবং পরমাণু শক্তিধর আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে শান্তি চুক্তি চান ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বার্ষিক বক্তৃতায় ট্রাম্প তাঁর এই ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বুধবার। সরাসরি তিনি পাকিস্তান বা ভারতের নাম নেননি। তবে সোভিয়েত জমানার চুক্তিটি ছিল হাজার থেকে পাঁচ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে। ভারতের পৃথ্বী ও অগ্নি গোত্রের কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এর মধ্যে পড়ে। পাকিস্তানের বাবর, শাহিন বা ঘাউরি ক্ষেপণাস্ত্রও তা-ই। তাতেই জল্পনা শুরু হয়েছে, আরও কয়েকটি দেশ বলতে ভারত বা পাকিস্তানকেও সম্ভবত তালিকায় রাখছেন ট্রাম্প। হয়তো এর মধ্যে রয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইজরায়েলও।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.