সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মেও (পড়ুন ভারত) আছি, পাকিস্তানেও আছি, আমেরিকার এই দু’মুখো নীতি ফের প্রকাশ্যে। সেদেশের ২৫০তম সেনা দিবস উদযাপনে যোগ দিতে ওয়াশিংটন যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির। শনিবার তিনি আমেরিকা পৌঁছবেন বলে জানা গিয়েছে। ওইদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ৭৯তম জন্মদিন। হোয়াইট হাউসে নৈশভোজে অংশ নেবেন পাক সেনাপ্রধান? পহেলগাঁও কাণ্ড এবং পরবর্তী পরিস্থিতিতে মুনিরের আমেরিকা সফরে অস্বস্তি বাড়ছে দিল্লির।
অপারেশন সিঁদুরের পরে ভারত যখন গোটা বিশ্বে সন্ত্রাসে পাক মদতের কথা তুলে ধরছে, সেই সময় মুনিরকে আমেরিকার জামাই আদর দিল্লির জন্য বড় ধাক্কা। সূত্রের খবর, এই সফরে মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের বড় কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন পাক সেনাপ্রধান। সাউথ ব্লকের উদ্বেগ বাড়িয়ে পাকিস্তান বা আমেরিকা মুখে কুলুপ এঁটেছে উচ্চ পর্যায়ের এই সামরিক যোগসাজস নিয়ে। যদিও আমেরিকার আইনসভা সেনেটের শুনানিতে এক মার্কিন সেনাকর্তা জেনারেল মাইকেল ই কুরিল্লা সাফ জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তান, উভয় দেশকেই আমেরিকার প্রয়োজন রয়েছে। এখানেই না থেমে কুরিল্লা বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তান বড় মাপের অংশিদার। আইসিস খোরাসান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও বলেন কুরিল্লা।
পহেলগাঁও হামলার পিছনে পাক সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করে ভারতীয় গোয়েন্দারা। সেই মুনিরকে সেনাদিবসের অনুষ্ঠান আমন্ত্রণ জানিয়ে ভারতকে স্পষ্ট বার্তা দিল ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার। অর্থাৎ কিনা ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেত্রে পুরনো ভারসাম্যের নীতি থেকে বিন্দুমাত্র সরছে না তারা। শাহবাজ শরিফের দেশের উপর প্রধানশত্রু চিনের সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব কৌশলগত কারণে কোনওভাবে চায় না ওয়াশিংটন। ঠিক সেই কারণেই ধর্মেও আছি, পাকিস্তানেও আছি নীতি হোয়াইট হাউসের।