Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Donald Trump

‘চিনকে ধ্বংস করতে পারি’, ২০০ শতাংশ শুল্কের খাঁড়া হাতে জিনপিংকে শাসানি ট্রাম্পের

চিনের সঙ্গে আমেরিকা সুসম্পর্ক চায় বলে দাবি ট্রাম্পের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ১১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৫, ১১:১২

options
link
‘চিনকে ধ্বংস করতে পারি’, ২০০ শতাংশ শুল্কের খাঁড়া হাতে জিনপিংকে শাসানি ট্রাম্পের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক কোপের মাঝেই চিনকে শাসানি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। জিনপিংকে বুঝিয়ে দিলেন, আমেরিকাকে বিরল খনিজের পর্যাপ্ত যোগান না দিলে ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে চিনের উপর। ‘চিনকে আমরা ধ্বংস করে দিতে পারি’ বলেও এদিন হুমকি দিলেন ট্রাম্প।

সোমবার ওয়াশিংটনে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং-এর সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চিনের প্রসঙ্গ তোলেন ট্রাম্প। শীঘ্রই তিনি যে চিন সফরে যাবেন সে কথা মনে করিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকা চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চায়। আশা করব চিনের সঙ্গে আমাদের দুর্দান্ত সম্পর্ক তৈরি হবে।” এরপরই বলেন, “চিনের হাতে যেমন কিছু তাস রয়েছে, আমাদের হাতেও রয়েছে। আমি সেই তাস খেলতে চাই না। তবে আমরা যদি সেই তাস খেলতে শুরু করি চিন ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা সত্যিই চাই না সেই তাস খেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হোক।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই সাংবাদিক বৈঠকে শুল্ক নিয়ে ট্রাম্প সরাসরি কিছু না জানালেও ইঙ্গিত দেন প্রয়োজনে চিনের উপর ২০০ শতাংশ শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। বলেন, যদি চিন আমেরিকার জন্য অতি প্রয়োজনীয় রেয়ার আর্থ মেটাল বা বিরল খনিজ না দেয় সেক্ষেত্রে বেজিংয়ের উপর চাপতে পারে ২০০ শতাংশ শুল্কের বোঝা। ট্রাম্প জানান, “আমাদের বিরল খনিজ দিতেই হবে চিনকে। যদি তা না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে ২০০ শতাংশ বা এমনই কিছু শুল্কের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিরল খনিজ উৎপাদনকারী দেশ চিন। আমেরিকার প্রযুক্তি ও সামরিক ক্ষেত্র টিকে রয়েছে এই বিরল খনিজের উপর। জার্মানির এক রিপোর্টে জানা যায়, ন্যাটো সদস্যভুক্ত দেশগুলি বিরল খনিজের বিষয়ে পুরোপুরি চিনের উপর নির্ভরশীল। রিপোর্টে অনুযায়ী, এমন প্রায় ৫০টি বিরল খনিজ রয়েছে যার অভাবে আমেরিকার অর্থনীতি ও সামরিক ক্ষেত্র পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। তাই চলতি বছর চিনের সঙ্গে শুল্ক যুদ্ধ শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত রণেভঙ্গ দিতে বাধ্য হন ট্রাম্প। রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হলেও, ওই একই ‘অপরাধে’ চিনকে ছাড় দিয়েছে তারা। বাড়তি শুল্ক চাপানোর ক্ষেত্রেও ৯০ দিনের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় দিলেও এবার নিজের দুর্বলতা চাপা দিয়ে আক্রমণাত্মক মূর্তি ধরলেন ট্রাম্প।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.