Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
রবার্ট মুগাবে

প্রয়াত জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রবার্ট মুগাবে

৩৭ বছর ধরে দেশের ক্ষমতায় ছিলেন বিতর্কিত রাষ্ট্রনায়ক মুগাবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ১৫:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ১৫:২০

options
link
প্রয়াত জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রবার্ট মুগাবে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৯৫ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন জিম্বাবোয়ের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রবার্ট মুগাবে। সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে ভরতি থাকাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই খবর জানিয়েছেন সেদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি ইমারসন মানঙ্গাগওয়া। বেশ কয়েকমাস ধরে সিঙ্গাপুরের ওই হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: প্রশ্নের মুখে দেশের অর্থনীতি, তবু রাশিয়াকে ৭ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবেন মোদি]

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে ইমারসন টুইট করেন, ‘এই ঘোষণা করতে খুবই দুঃখ লাগছে যে জিম্বাবোয়ের পিতা ও আমাদের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি  রবার্ট মুগাবে প্রয়াত হয়েছেন। গত নভেম্বর ওঁনাকে সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। তখন তাঁর শরীরের অবস্থা এমন ছিল যে ঠিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারছিলেন না। তিনি জিম্বাবোয়ের স্বাধীনতার জন্য প্রচুর আত্মত্যাগ করেছেন। সারা জীবন দেশবাসীর মুক্তি ও শক্তিবৃদ্ধির জন্য উৎসর্গ করেছেন। আমাদের দেশ ও এই মহাদেশের প্রতি তাঁর অবদান ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। আমরা তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করি।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জিম্বাবোয়ে প্রশাসনের তরফে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির ছানির চিকিৎসা চলছিল বলে জানানো হয়েছে। যদিও সেদেশের সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, মূত্রথলির ক্যানসারে ভুগছিলেন জিম্বাবোয়ের জনক হিসেবে পরিচিত এই নেতা।

[আরও পড়ুন: চাপ বাড়ল জাকির নায়েকের, মোদির প্রত্যর্পণের প্রস্তাবে সায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর]

১৯৮০ সালে ইংরেজদের শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার পর ৩৭ বছর ধরে জিম্বাবোয়ের ক্ষমতায় ছিলেন রবার্ট মুগাবে। তবে শেষের কয়েকটি বছর তাঁর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ২০১৭ সালে সেনা অভ্যুত্থানের জেরে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। জিম্বাবোয়ের স্বাধীনতার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য হলেও ক্ষমতায় বসার পর বদলে যায় ছবিটি। তাঁর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ আনে বেশ কিছু মানবাধিকার সংগঠন। ক্ষমতার লোভে তিনি প্রচুর মানুষকে বিনা বিচারে খুন করিয়েছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.