সমতা পার্টি থেকে জেডিইউ, মহাজোট থেকে এনডিএ, একনজরে ‘পল্টুরাম’ নীতীশের কুরসির কিসসা
প্রথমবার মাত্র ৭ দিনের জন্য কুরসিতে বসেন নীতীশ।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
১৯৯৬ সালেই সমতা পার্টি চমকপ্রদভাবে বিজেপির সঙ্গে জোট বাঁধে। নীতীশ যোগ দেন কেন্দ্রে বাজপেয়ীর সরকারে। ২০০০ সালে প্রথমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেন নীতীশ। সেটা সমতা পার্টির নেতা হিসাবে। কিন্তু সেবার বিজেপি-সমতা পার্টি জোটের হাতে সরকার গঠনের সংখ্যা ছিল না। ফলে ৭ দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে হয় তাঁকে।
এরপর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ২০০৫ সালের নভেম্বরে। এনডিএ জোটে ৮৮ আসন পেয়ে সিনিয়র সদস্য হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন নীতীশ। এরপর ২০১৩ পর্যন্ত আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। টানা আটবছর তাঁর নেতৃত্বেই সরকার চালায় এনডিএ। এর মধ্যে ২০১০ সালে কার্যত একাই ক্ষমতায় এসেছিল জেডিইউ। ততদিনে নীতীশের নামের পাশে জুড়ে গিয়েছে 'সুশাসনবাবু' খেতাব।
২০১৩ সালে বিজেপি মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করার পরই এনডিএর সঙ্গ ছাড়েন তিনি। এমনকী মোদিকে বিহারে ঢুকতে না দেওয়ারও হুমকি দেন। ২০১৫ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ফের লালু যাদবের হাত ধরেন। ভোটে বিপুল সাফল্যও আসে। বিহারে সরকার গড়ে মহাজোট। মুখ্যমন্ত্রী পদে তখনও নীতীশ। তবে এবার উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব।
কিন্তু 'দুর্নীতিগ্রস্ত' লালু পরিবারের সঙ্গে বেশিদিন ঘর করেননি নীতীশ। ২০১৭ সালে মহাজোট ছাড়েন। এবং অতীতের সব বিরোধ ভুলে হাত ধরেন নরেন্দ্র মোদির। ফের গঠিত হয় এনডিএ সরকার। ফের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ। ২০২০ সালে মোদি-নীতীশ জুটি অল্পের জন্য সরকার গড়ে। কুরসি ধরে রাখেন সুশাসনবাবু। কিন্তু এনডিএর সঙ্গে ফের বিবাদ বাঁধে তাঁর। ২০২৩ সালে দল ভাঙানোর অভিযোগ তুলে বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে ফের যোগ দেন মহাজোটে। আবারও উপমুখ্যমন্ত্রী হন...