যৌবনেই বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক, এই ৬ খাবার সর্বনাশের কারণ নয় তো?
ত্বক ভালো রাখতে কী কী করবেন?
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১১:০৮
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১১:০৮
১১২
সময়ের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক? কুঁচকে যাচ্ছে মুখচোখের চামড়া? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মুখভার তন্বীর। ত্বক বিশেষজ্ঞদের দাবি, নানা কুঅভ্যাসের ফলে এই সমস্যা যতদিন যাচ্ছে, ততই যেন বাড়ছে।
২১২
অনেকেই আমরা ত্বকের সঠিক যত্ন নিইনা। বাইরে থেকে ঘুরে আসার পর ত্বক পরিষ্কার পর্ব বাদ রাখি। আবার কেউ কেউ বাড়ি থেকে বেরনোর সময় সানস্ক্রিন মাখতেও ভুলে যাই। তার ফলে বাড়ছে ত্বক বুড়িয়ে যাওয়ার সমস্যা।
তবে কারও কারও মতে, শুধু ত্বক পরিচর্যা নয়। খাদ্যাভ্যাসে সামান্য় গণ্ডগোলের প্রভাবেও নাকি অসময়ে বুড়িয়ে যাচ্ছে ত্বক। তাই খাবার খাওয়ার আগে খানিকটা সাবধান হোন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কোন খাবার ভুলেও চেখে দেখা উচিত নয়।
৪১২
আমেরিকান জার্নাল অফ ল্যাবরেটরি মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস ত্বকের শত্রুর মতো। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় তৈরি এই ধরনের খাবারের ফলে ত্বকের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশি। ত্বকের নিচের স্তর থেকে প্রোটিন শুষে নিয়ে ঔজ্জ্বল্য নষ্ট করে। তার ফলে শুষ্ক হয়ে যায় ত্বক।
৫১২
হোয়াইট ব্রেডও ভুলেও খাওয়া উচিত নয়। এই ধরনের খাবারে থাকে অত্যধিক চিনি, যা শরীরের ক্ষতি করে। আবার ত্বকের ব্যাপক ক্ষতি করে। তাই ভুল করেও হোয়াইট ব্রেড খাবেন না। তার পরিবর্তে ব্রাউন ব্রেড খেতে পারেন। আর না হলে হাতে গড়া আটার রুটিতেই সারতে পারেন পেটপুজো।
রক্তে আচমকা শর্করার মাত্রা বৃদ্ধিতে সাধারণত নানা ক্ষতি হয়। চিনিই হল সে সমস্ত ক্ষতির মূল কারণ। ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে অত্যধিক মিষ্টিজাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। চিনি দেওয়া চা-ও হতে পারে বিপজ্জনক। তাই চিনি খাওয়া কমান। তবে একেবারে একদিনে চিনি খাওয়া ছাড়বেন না। তাতে রক্তে শর্করার মাত্রা একধাক্কায় কমে গিয়ে শারীরিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।
৭১২
অত্যধিক নুনও কিন্তু শরীরের পক্ষে সমান ক্ষতিকারক। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাতেও ত্বক অসময়ে বুড়িয়ে যেতে পারে। তবে চিনির মতো নুনও একেবারে একধাক্কায় খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। তাতে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা আচমকা কমে গিয়ে বিপদ হতে পারে।
৮১২
হট ডগস, বেকন, সসেজের মতো খাবারদাবার সকলেরই অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু এই খাবারই হতে পারে আপনার বিপদের কারণ। আচমকা বুড়িয়ে যেতে পারে ত্বক। তাই ভুল করেও এই ধরনের খাবার খাবেন না। তাতে ক্ষতি হতে পারে আপনারই।
৯১২
দুধ খাওয়ার ফলে শরীরে নানা উপকার হয়। আবার ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে দুগ্ধজাত নানা খাবারদাবার। যেমন অতিরিক্ত মাখন, পনির, টোফুর ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন আপনি।
১০১২
কথায় কথায় গলা ভেজাতে ঠান্ডা পানীয় খান? সোডা আপনার মন্দ লাগে না? তবে তা-ই হতে পারে আপনার ত্বকের বড় শত্রু। তাই তা খাওয়া থেকে বিরত থাকাই ভালো।
১১১২
শীত কাটাতে কিংবা অবসাদ, সুযোগ পেলেই কফির কাপে চুমুক? এই অভ্য়াস আজই বদলান। নইলে বুড়িয়ে যেতে পারে ত্বক। আজই সাবধান হোন। কফির বদলে চায়ে ভেজান গলা।
১২১২
খাদ্যাভ্যাস তাই আজই বদল আনুন। ত্বক ভালো রাখতে আরও বেশি করে জল পান করুন। অবশ্যই খাদ্যতালিকায় রাখুন ফল। আর ত্বকের পরিচর্যাও করুন। নইলে ত্বক বুড়িয়ে যেতে পারে যৌবনেই।
শরীর জুড়ে ধূসর কালো, সাদা ও বাদামি রঙের কম্বো, মাথায় লম্বাটে ঝুঁটি! ‘ভূতি’কে দেখতে ভিড় বাড়ছে তিস্তায়
রইল সেই ছবি।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২১:০০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২১:০০
১৭
শীত পড়তেই বাংলার বিভিন্ন ঝিল, জলাশয়গুলিতে ভিড় জমাচ্ছে পরিযায়ী পাখির দল। এর মধ্যে যদিও পাখিপ্রেমীদের নজর কাড়ছে ঝুটি ওয়ালা ইউরোপীয়ান হাঁস। তিস্তার গজলডোবা পাখিবিতানে ক্রমশ বাড়ছে পরিযায়ীর ভিড়! কিন্তু সবার নজর কাড়ছে ওই হাঁস। তা দেখতে মানুষেরও ভিড় বাড়ছে। যদিও এই বিষয়ে সতর্ক প্রশাসন। ইতিমধ্যে পরিযায়ীদের নিরাপত্তায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা।
২৭
শুধু তাই নয়, পাখি গণনারও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বন দপ্তরের তরফে। আগামী ১২ জানুয়ারি থেকে এই পাখি গণনার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মূলত তিস্তার জলাভূমিতে কত প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এসেছে তা জানতে পরিবেশ কর্মী সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়েই চলবে এই গণনার কাজ।
শরীর জুড়ে ধূসর কালো, সাদা ও বাদামি রঙের কম্বো। মাথার পেছনে লম্বাটে ঝুটি। সোনা গলানো রঙের চোখ! যা আর পাঁচটা হাঁসের থেকে তাদের আলাদা করে রাখে। পরিবেশবিদদের কথায়, এই হাসের বসবাস সুদূর ইউরোপ। 'ক্রিস্টেড পচার্ড' নামেই এই হাসের পরিচিতি। তবে 'ভূতি' নামেই বাংলায় মানুষ এই হাঁসকে চেনে।
৪৭
শীত পড়লেই এই সমস্ত হাঁসের পছন্দের ঠিকানা হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদী। দলে দলে আসে তিস্তা ব্যারেজ সংলগ্ন গজলডোবা পাখিবিতানে। হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে প্রতি বছর দল বেঁধে সুদূর ইউরোপ থেকে উড়ে আসে ওরা। তবে একা আসেনি ভূতি। পাখিপ্রেমী ডঃ রাজা রাউত জানান, সঙ্গী করে এনেছে নর্দার্ন পিন টেইল বা পিন ল্যাজা হাঁসকেও।
৫৭
পাখিপ্রেমীর কথায়, এবার ইউরোপ, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া থেকেও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে পরিবেশের টানে ছুটে এসেছে আরও একাধিক প্রজাতির পরিযায়ী পাখি। তিস্তার স্বচ্ছ জলে দিনভর ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা। পাখি দেখতে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে পর্যটকদের।
তবে আশঙ্কা একটাই, পর্যটকদের ভিড়ে মিশে শিকারিরা যাতে অতিথি পাখিদের নিরাপত্তায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে তারজন্য নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগ। নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের সচেতন করতে প্রচার চলছে।
৭৭
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাখি আসা শুরু হয়েছে পাখি বিতিানে। এখনও পর্যন্ত যে সংখ্যায় পাখি এসেছে তা দেখে পরিবেশ কর্মীদের আশা, এই বছর পাখির সংখ্যা আগামী দিনগুলিতে আরও বাড়বে। বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগের বেলাকোবা রেঞ্জের অফিসার রাজকুমার পাল জানান, অতিথি পাখিদের নিরাপত্তায় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১২ জানুয়ারি পাখি গণনার পরিকল্পনা রয়েছে।
ম্যারাথনে রঙিন দার্জিলিংয়ের শীতের সকাল, ২১ কিমি দৌড়ে পুরস্কার কেনিয়ার, দেখুন ছবি
জোরবাংলো থেকে লেবং পর্যন্ত রাস্তা এদিন ৩ ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ২২:১০
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ২২:১০
১৯
শীতের সকালে ম্যারাথনের রঙে সেজে উঠল দার্জিলিং। আজ, রবিবার ২১ কিমি ম্যারাথন দৌড়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়াও ১০ কিমি হাফ ম্যারাথন প্রতিযোগিতা ছিল।
২৯
বিভিন্ন জায়গা থেকে পুরুষ ও মহিলা প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছিলেন। কেনিয়ার দৌড়বিদ এই মূল ম্যারাথনে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। হাফ ম্যারাথনের প্রথম তিনটি স্থানই দখল করেছেন এই দেশের তিন প্রতিযোগী।
ম্যারাথনে প্রধান অতিথি আইজি রাজীব কুমার উপস্থিত ছিলেন। জিটিএ-র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনিত থাপা, দার্জিলিং-এর এসপিপি প্রবীণ প্রকাশ, দার্জিলিং-এর ডিএম সুকান্ত সিং সুকির সাথে পতাকা উত্তোলন করেন।
৪৯
রবিবার দ্বাদশ দার্জিলিং ম্যারাথনে ৪ হাজার প্রতিযোগী পা মেলান। তাঁদের মধ্যে ৩০ জন নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, ভুটান, নেপাল এবং কম্বোডিয়ার। প্রতিযোগীদের উৎসাহিত করতে ছিলেন লৌহমানব নামে পরিচিত সুকান্ত সিং আলি (সুকি)।
৫৯
ম্যান অফ ইন্ডিয়া সুকি জানিয়েছে, ৩০০টি আল্ট্রা রান এবং ১০০ ঘন্টা দৌড় সম্পন্ন করেছেন তিনি। এখন ৪৮০ কিলোমিটার দৌড়ের জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এছাড়াও সাইক্লিং এবং সাঁতারও করছেন। তাঁর কথায়, " দার্জিলিং-এ দৌড়নোর মজা অন্য কোথাও পাইনি।"
দার্জিলিং-এর এসপি প্রবীণ প্রকাশ বলেন, "দার্জিলিং পাহাড় একটি অনন্য স্থান। এখানে প্রত্যেকেরই নিজস্ব শিল্প আছে। দৌড়বিদদের সংখ্যাও অনেক বেশি। আজ, এই উপলক্ষে পাহাড়ের বিভিন্ন ক্ষমতার মানুষরাও মল রোডে দৌড়েছিলেন।"
৭৯
দার্জিলিং পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের ইন্সপেক্টর চেওয়াং শেরপা বলেন, ‘‘এ বছর দার্জিলিং পুলিশ ম্যারাথন অন্য বছরের তুলনায় বেশি জাঁকজমকপূর্ণ। চার হাজার দৌড়বিদ অংশগ্রহণ করেন।"
৮৯
এবছর পুরুষ ও মহিলাদের ২১ কিলোমিটার এবং ১০ কিলোমিটার দৌড়ের প্রতিযোগিতা হল। পুলিশ দৌড়ে ১০টি বিভাগ ছিল। পাহাড়ের প্রধান দৌড় হল পুলিশ ম্যারাথন।
৯৯
এদিন জোরবাংলো থেকে লেবং পর্যন্ত ১৬ কিমি দীর্ঘ এই রাস্তায় সকাল ৬টা থেকে ৩ ঘন্টার জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল। দার্জিলিংকে সুস্থ ও মাদকমুক্ত করার জন্য পুলিশ এই ম্যারাথনের আয়োজন করে।